ইরান যুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী হলেও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি গড়ে তুলতে পারেনি। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি বাড়লেও তা স্পষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।
মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এমন চাপ সৃষ্টি করা, যাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমে তেমন সুস্পষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, “ইরান জানে তারা কী চায়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য স্পষ্ট নয়।” তার মতে, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়াই যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হয়, তবে শুধুমাত্র সামরিক পদক্ষেপ দিয়ে তা সম্ভব হবে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি ইরানের জন্য কৌশলগত সুবিধা তৈরি করছে। কারণ তারা নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে চাপ প্রয়োগ করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র এখনও সুসংগঠিত রাজনৈতিক ফলাফল অর্জনে অনিশ্চিত।
এদিকে, ট্রাম্প ইসরেলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারলেও লেবাননের ক্ষেত্রে সেই প্রভাব কার্যকর হবে না বলে মত দেন রস হ্যারিসন।
তিনি আরও বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে সরে আসে, তাহলে ইসরেলের পক্ষে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর