• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৭ মিনিট পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
রাসেল শেখ
গাজিপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:১৭ দুপুর

শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এম এ মুহিত বলেছেন, যে মায়েরা তাদের সন্তানদের নিয়ে টিকাদান কর্মসূচিতে এসেছেন, তাদের টিকা দেওয়া ইতোমধ্যে আমরা উদ্বোধন করেছি। সকলের মঙ্গলের জন্য সবাই মিলে সুশৃঙ্খলভাবে আমরা যদি টিকাদান কর্মসূচি পালন করি, সকলেই যদি সকলকেই দেখে রাখি, তাহলেই এ কর্মসূচিটি সুন্দরভাবে পালন হবে।

আমাদের সন্তানরা, আমাদের বাচ্চারা নিরাপদ থাকতে পারবে। আমাদের সরকার বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং আমরাও যাচ্ছি। বাদ যাবে না একটি শিশু। আপনারা জানেন, হামের কারণে বাচ্চাদের জ্বর আসছে।

তাদেরকে যদি আমরা দ্রুত শনাক্ত করতে পারি এবং দ্রুত চিকিৎসা দেই, ইনশাল্লাহ ভয়ের কোনো কারণ থাকবে না। নতুন করে যেন বাচ্চাদের হাম না হয়, সেজন্যই এই টিকা।

গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হাম-এর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মায়েদেরকে এবং এলাকাবাসীদেরকে বলবো, হামের টিকা কার্যকর হওয়ার জন্য এই এলাকার ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটা শিশুকে যদি আমরা টিকা দিতে পারি, তাহলেই আমরা সবাই নিরাপদ থাকবো। যারা আজকে টিকা নিয়ে যাবেন, বাড়ি গিয়ে পাড়া-প্রতিবেশী যারা আছে বা যাদের ওই বয়সী বাচ্চা আছে, আপনারা তাদেরকে পাঠিয়ে দেবেন।

অনুষ্ঠানে অন্য এলাকার যারা উপস্থিত আছেন, আপনাদের এলাকার মহল্লায় এই টিকাদান কর্মসূচির প্রসার ঘটাবেন। যত বেশি মানুষ এই টিকার আওতায় আসবে, আমরা প্রত্যেকেই তত বেশি নিরাপদ হবো। ইনশাল্লাহ, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে আমাদের এই কর্মসূচি সফল হবে এবং আমাদের সন্তানেরা, আমাদের শিশুরা সুস্থ স্বাস্থ্য নিয়ে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ হিসেবে বেড়ে উঠবে, এটাই আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় আশা এবং প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, এই হামের জীবাণুটি খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে কারণে বেশি মানুষকে টিকা দিলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। ইতোমধ্যে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের সরকার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছে। আমাদের টিকাদান বিষয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি আছে। আমরা একটি সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে প্রতিদিন সারাদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি, সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত, সেগুলোকে শনাক্ত করছি। আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে।

আমাদেরকে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্যের ভিত্তিতে, বিজ্ঞানের ভিত্তিতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি, যাতে কোথাও আমাদের কোনো ভুল না হয়। আমরা কয়েকদিন পরেই ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও এই কর্মসূচি করব। বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে, আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে, যারা মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশে এই আয়োজন করেছে, তাদেরকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে কাজটি করছেন, সেটি শুধু সাংবাদিকতা নয়, সেটি মানবতার কাজ করছেন। স্বাস্থ্য বিষয়ে জনগণকে প্রতিরক্ষা দেওয়ার জন্য আপনারাও সেই কর্মসূচির সৈনিকে পরিণত হয়েছেন। আজকের এই কর্মসূচি আপনারা জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে যথাযথ গুরুত্বসহকারে তুলে ধরলে আরও বেশি মানুষ এ টিকা সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনাদের প্রচারনা সঠিক হলে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে এবং আমাদের শিশুরা নিরাপদ থাকবে। আপনাদেরকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আহ্বান জানাচ্ছি, এ টিকা কর্মসূচীকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিন এবং এটির গুরুত্ব জনগণের সামনে তুলে ধরুন।

টিকার মজুদ নেই - উপস্থিত সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের আগ্রহ সবকিছু দেখছেন। আমি যেটা বলবো, আপনারা (সাংবাদিকেরা) আমার চেয়ে ভালো বোঝেন। আজকের নিউজটার হেডলাইন এটাই থাকুক— ‘টিকাদান শুরু হয়েছে’। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু যেন দ্রুত এই টিকা গ্রহণ করে। টিকার সরবরাহ নিয়ে আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিয়ে সেই ঘাটতিগুলো পূরণ করছি।

কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে, কোনো রকম ঘাটতি থাকবে না। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। মূল বক্তব্য হচ্ছে, আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি, কাজটা চলবে। ঘাটতি যেখানেই আছে, আমাদের দায়িত্ব আমরা সেটা পূরণ করবো। আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন। জনগণকে সম্পৃক্ত করার কাজে আপনাদের ভূমিকাটা আজকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আমরা আজকের দিনে অত্যন্ত সেটাতেই মনোযোগ দেই। আমরা সকলেই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছি। সেই কারণেই আজকে দেশীয়-বিদেশী প্রতিষ্ঠান এবং চিকিৎসকসহ সর্বোচ্চ কর্মকর্তারা স্বশরীরে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। এখানে দুইটি বুথে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা: রাজেশ নরওয়াল এবং ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ রিজিম ম্যানুয়েল, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) নূরুল করিম ভূঁইয়া, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শরিফ উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা: মো: মামুনুর রহমান এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীবৃন্দ।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com