ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে জেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তার সংগঠন।
তবে রেদোয়ান ইসলাম লিঙ্গ পরিবর্তনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি আসলে ছেলে থেকে মেয়ে হইনি, বরং নারী সেজে টিকটক করতাম। এজন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি।”
রেদোয়ান ফেসবুকে ‘রিহিয়া রিহি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন। পেজটি ঘেঁটে দেখা যায়, তিনি নারী সেজে বিভিন্ন স্টাইলে ছবি ও ভিডিও আপলোড করতেন। তার প্রকৃত লিঙ্গ বোঝা দুষ্কর হলেও যুগান্তরের হাতে তার প্রকৃত কিছু ছবি এসেছে।
রেদোয়ান ইসলাম পেজটির মাধ্যমে ২৫ হাজারের বেশি ফলোয়ারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। বিষয়টি প্রকাশের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এই ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার তার ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আপনারা অনেকেই আমার কিছু ভিডিওর কারণে কষ্ট পেয়েছেন। আমি অনেকের মনে কষ্ট দিয়ে ফেলেছি। আসলে এগুলো মজার ছলে, বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি করেছি। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি, সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমাকে এখন থেকে রাস্তায় বা অন্য কোথাও দেখলে খারাপ কথা বলবেন না, নিজের ভাইয়ের মতো আচরণ করলে, আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহজ হবে।”
আরেক পোস্টে রেদোয়ান দাবি করেন, তিনি ট্রান্সজেন্ডার নন। “আমাকে ঘিরে ছড়ানো ট্রান্সজেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব। আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং একজন সংস্কৃতিকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। কিছু কন্টেন্টের কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য দুঃখিত। ইতোমধ্যে সেসব কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলেছি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকব। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করতে, কারণ ভুল ধারণা একজন মানুষের সম্মানহানি করতে পারে।”
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
অন্যান্য... এর সর্বশেষ খবর