ফরিদপুরের সালথায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় মো. শহিদুল সোহেল (৪৮) নামের এক সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় নিজ ক্লিনিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত শহিদুল সোহেল সালথা উপজেলার সদর এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় জড়িতরা হলেন ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) এবং জামাল মাতুব্বরের ছেলে সোহেল (২৩)। জানা যায়, নুরু ও শামীম উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কালাম বিশ্বাসের সহোদর।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, জননী সুপার মার্কেটের নিচতলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ইয়াবা বিক্রি ও গাঁজা সেবন করে আসছিলেন নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা। বুধবার সন্ধ্যায় মার্কেটের ভেতরে মাদক সেবনে বাধা দিলে শহিদুল সোহেলের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা হলেও রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরু বিশ্বাসসহ তার সহযোগীরা লাঠিসোটা ও পাইপ নিয়ে ক্লিনিকে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক লাঠি দিয়ে শহিদুল সোহেলকে মারধর করছে, আর তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করছেন।
আহত শহিদুল সোহেল বলেন, “মার্কেটের নিচতলায় একটি দোকানের সামনে বসে নিয়মিত মাদক বিক্রি ও সেবন করত নুরু। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হলেও রাতে তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান জানান, ঘটনার পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর