রাজবাড়ীর পাংশায় মামলা তুলে না নেওয়ার জের ধরে খালেক সরদার নামের ৫৫ বছরের এক বৃদ্ধাকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে যখমের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে পাংশা পৌর শহরের মৌকুড়ি গ্রামের ভুক্তভোগীর বাড়ির অদূরে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী খালেক সরদার মৌকুড়ি গ্রামের মো. ওয়াজেদ সরদারের ছেলে।
অভিযুক্তারা হলেন, একই এলাকার আক্কাস আলী অরুফে আগুন, নিলু মন্ডল, সোমসের খা ও তার ছেলে সোহান খাসহ অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী খালেক সরদার বলেন, ৩-৪ বছর আগে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রীকে মারপিট করে সোমসের খা গং।
সেই ঘটনায় আমার স্ত্রী বাদী হয়ে একটি মামলা করে। মামলাটি রাজবাড়ী কোর্টে চলমান রয়েছে। কয়েকদিন ধরেই সেই মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি দেয় আক্কাস আলী অরুফে আগুন।
তিনি আরো বলেন , মামলা তুলে না নিলে দুই লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকে বিভিন্ন সময় মারপিট করার হুমকিও দেয় আক্কাস আলী অরুফে আগুন।
রাতে বাড়ি ফেরার সময় আক্কাস আলী অরফে আগুন, সোমসের খা ও তার ছেলে সোহান খা এবং নিলু মন্ডল সহ কয়েকজন আমার মাথার মধ্যে ছালা পড়িয়ে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে যখম করে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পাংশা মডেল থানায় মামলা দায়ের করবেন বলেন জানান ভুক্তভোগী ছেলে মো. অলি উল্লাহ সরদার।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আক্কাস আলী অরুফে আগুন বলেন, তার সাথে আমর কোন ঝামেলা নেই ৷ ইতিপূর্বে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার সোমসের ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে খালেক সরদার। সেই মামলার সমাধানের বিষয়ে একটি সালিশ হওয়ার কথা ছিলো। সেই সালিশও করেনি খালেক সরদার। তাকে কে বা কারা মেরেছে আমি কিছুই জানি না। আমার বিরুদ্ধে যা বলেছে, তা সম্পুর্ন মিথ্যা। ঘটনার সময় আমি ওই এলাকায় ছিলামই না।
সরেজমিনে গেলে অন্যান্য অভিযুক্তদের পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, গতরাতে খালেন সরদার নামে একজনকে মারপিট করার খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার পক্ষে একজন অভিযোগ দিতে এসেছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর