• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
মোঃ ইমরান হোসেন
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৬, ০৯:৪৭ রাত

সাতক্ষীরায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ লাখ ২০ গবাদিপশু

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার পশুর হাট ও খামারগুলোতে এখন পুরোদমে জমে উঠেছে কেনাবেচা। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার গবাদিপশু। তবে চাহিদা তুলনামূলক কম হওয়ায় এ বছর প্রায় ১৯ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, কোরবানির জন্য প্রস্তুত এসব গবাদিপশুর বাজারমূল্য প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে জেলায় মোট চাহিদা রয়েছে আনুমানিক ১ লাখ ১ হাজার পশুর। ফলে সরবরাহ চাহিদার তুলনায় ১৯ হাজার গবাদি পশু বেশি থাকায় বাজারে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এদিকে ঈদ ঘনিয়ে আসায় খামারগুলোতে শেষ সময়ের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। খামারিরা পশু মোটাতাজাকরণে সময় দিচ্ছেন, তবে বাড়তি খরচের চাপ তাদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। অথচ সেই তুলনায় খামার পর্যায়ে পশুর ন্যায্য দাম না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

খামারিরা জানান, ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগীরা খামার থেকে কম দামে পশু কিনে হাটে গিয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। এতে একদিকে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদেরও বেশি দামে পশু কিনতে হচ্ছে।

জেলার ১৩ হাজার ৪৩৯টি খামারে এ বছর বাণিজ্যিকভাবে পশু পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫০ হাজার ৭৩৫টি গরু, ৬৩ হাজার ১০৩টি ছাগল, ৬ হাজার ৮টি ভেড়া এবং ১৫৪টি মহিষ। গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ২ থেকে ৩ শতাংশ।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাহমুদপুর ভাড়ুখালি গ্রামের নিপা ডেইরি ফার্মের মালিক রবিউল ইসলাম জানান, খামারে আগে যেখানে শতাধিক গরু ছিল, এখন তা নেমে এসেছে ১০টিতে। প্রায় ২০ লাখ টাকার গরুর জন্য তিনি ১২-১৩ লাখ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, খরচ বাড়ছে, কিন্তু দাম মিলছে না- এভাবে টিকে থাকা কঠিন। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও খামারে দাম কম, আর হাটে গিয়ে সেই পশুই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

জেলার শহরে, কালিগঞ্জ, তালা, শ্যামনগর, কলারোয়া, পারুলিয়া, সুড়িহাট ও কুটিঘাটার মতো বড় হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর পশুর দাম কিছুটা বেশি। গরু বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। অনেক ক্ষেত্রে ৮০ হাজার টাকার গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত, যা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ. এম. মান্নান কবীর জানান, কোরবানির পশুর বাজার নিয়ন্ত্রণে ১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম হাটে সার্বক্ষণিক তদারকি করছে, যাতে কোনো অসুস্থ পশু বাজারে আসতে না পারে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশের সুযোগ নেই। ফলে দেশীয় খামারিরাই এখন কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]