ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে টুর্নামেন্টে নেমেছিল ব্রাজিল। তবে সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত থেমে যায় শেষ ষোলোতেই। নরওয়ের বিপক্ষে ২-০ গোলের পরাজয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়। এই হতাশাজনক বিদায়ের পর দেশের সমর্থকদের কাছে আন্তরিক ক্ষমা চেয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ইনজুরির ধাক্কায় বিপর্যস্ত ছিল ব্রাজিল। আসর শুরুর আগেই চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে যান রদ্রিগো ও এস্তেভাও। টুর্নামেন্ট চলাকালে আরও চোটে পড়েন রাফিনিয়া ও লুকাস পাকেতা। ফলে আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব এসে পড়ে ভিনিসিয়ুসের কাঁধে।
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অবশ্য উজ্জ্বল ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। পাঁচ ম্যাচে চার গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেন তিনি। কিন্তু শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল।
পরাজয়ের পর কয়েকদিন নীরব থাকার পর ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস।
তিনি লেখেন, ‘বিশ্বকাপে আরেকটি হতাশাজনক সমাপ্তির পর কী বলব, তা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আপনাদের সমর্থন এবং আমাদের স্বপ্নের প্রতি বিশ্বাস আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাই কোনো প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে থাকা ঠিক হতো না। নিজের অনুভূতিগুলো গুছিয়ে নিতে কয়েকটি দিন সময় প্রয়োজন ছিল।’
ব্রাজিলের জার্সি পরার গর্বের কথাও তুলে ধরেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের জার্সি গায়ে চাপানো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেওয়ার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এই বিশ্বকাপের জন্য আমি কতটা পরিশ্রম করেছি এবং কতটা নিবেদিত ছিলাম, তা আমি জানি। আপনাদের এবং আমার পরিবারের জন্য বিশ্বকাপ জেতাই ছিল সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। আমরা আরও অনেক দূর যেতে পারতাম, কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। এজন্য দেশের সব সমর্থকের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ব্রাজিলকে আবারও বিশ্বের সেরা দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর