নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’-এ রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হয়েছেন।
এই অর্জনের খবরে জেলার শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন মহলের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি শুধু একজন প্রশাসকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং নীলফামারীর প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।
জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নায়িরুজ্জামান জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং শিক্ষা কার্যক্রমের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে তিনি ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা তৈরি করেছেন।
এছাড়া বিদ্যালয়ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়াতে মতবিনিময় সভা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনায়ও তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
পশ্চিম পঞ্চপুকুর জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়মুখী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে। তার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা খাতে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
এদিকে রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হওয়ায় জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রতিক্রিয়ায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “নীলফামারীতে যোগদানের পর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর