ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় হাত-পা বিচ্ছিন্ন ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নযুক্ত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম পান্নু ফকির (৪২), যিনি স্থানীয়ভাবে জামু ফকির নামেও পরিচিত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের কুমারকান্দা গ্রামের একটি সড়কের ওপর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত পান্নু ফকির কুমারকান্দা গ্রামের রহমান ফকিরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে তিনি একটি জমিজমা-সংক্রান্ত সালিশ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রাস্তার পাশের একটি পাটক্ষেতে তাকে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ বিডি২৪লাইভকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পান্নু ফকির নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, সড়কের পাশের একটি পাটক্ষেতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় কোনো বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর