রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন।
রৌমারী উপজেলা হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ২৯ হাজার ২২৬টি শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ৩হাজার ৭শত ৯৫জন। ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২৫ হাজার ৪শত
৩১জন। ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য ইপিআইয়ের ১৪৪ অস্থায়ী কেন্দ্র, ১টি স্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আব্দুস সামাদ জানান, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরো বলেন, আশা করছি ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোয় গিয়ে তাঁদের সন্তানদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো.নবীউল ইমলাম,প্রধান সহকারী মো.আনোয়ারুল ইসলাম,
এইচআই দেলোয়ার হোসেন,এইচএ মোছা.মজিদা খাতুন,এমটি(ইপিআই) মো.মহিউল আলম, এমটি(ল্যাব) সাদমান ফুয়াদ সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী।
উল্লেখ যে, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি 'জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম' নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন 'এ' কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় 'জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন'। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
রোহান/সা.এ.
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর