অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকার অতীত ও বর্তমান সব সময়ের দুর্নীতির অভিযোগই সমানভাবে তদন্তের আওতায় আনতে চায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্নীতি একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং এর কোনো তামাদি নেই। তাই যেকোনো সময় এসব অভিযোগ তদন্ত করা সম্ভব। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের কেউ বা বর্তমান সরকারের কারও বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে দুদকের উচিত স্বাধীনভাবে তদন্ত করা।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা থাকাকালীন আওয়ামী লীগ কোনো নামেই রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারবে না। আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত তারা সংগঠিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়েও তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছু গণমাধ্যম তা পুরোপুরি মানছে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলো আইন এবং রীতিনীতি মেনে প্রচার করবে এবং এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ভারত সীমান্তে ১৬৫টি এবং মিয়ানমার সীমান্তে ১৫টি পুশ ইন ঠেকিয়েছে বিজিবি।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর