মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে কুয়েতও জানিয়েছে, দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ (ডিস্যালিনেশন) কেন্দ্রে হামলা হয়েছে।
এদিকে জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত, একজন নিখোঁজ এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর দেশটির আকাবা শহরের বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে না যেতে নাগরিকদের সতর্ক করেছে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাসের ভাষ্য, ওই এলাকায় ‘নির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য’ নিরাপত্তা হুমকির তথ্য পাওয়া গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সেনার মৃত্যুকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বলেন, “আমরা কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেব না।”
অন্যদিকে ইরানের এক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসন বা ‘বর্বরতার’ জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘চূড়ান্ত ও বিধ্বংসী’ প্রতিক্রিয়া জানাবে।
টানা ছয় দিনের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি নতুন করে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর