রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদার, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতামুক্ত করতে বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বাহিনীটির দাবি, অভিযানের মাধ্যমে মোহাম্মদপুরের সক্রিয় কিশোর গ্যাংগুলোকে নির্মূল করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নয়মুল হাসান বলেন, র্যাব মূলত গডফাদারদের গ্রেপ্তারে গুরুত্ব দিচ্ছে। নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ফলে মোহাম্মদপুরের পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, আশা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে। ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে মোহাম্মদপুরকে ঘিরে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, সেটি মূলত একটি হাইপ। র্যাব সেই ধারণা থেকে এলাকাটিকে বের করে আনার চেষ্টা করছে এবং ইতোমধ্যে এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
নয়মুল হাসান আরও বলেন, নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। একই সঙ্গে মোহাম্মদপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করার পাশাপাশি পুরো রাজধানীকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
অ্যালেক্স ইমন হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে র্যাব-২-এর এই কর্মকর্তা বলেন, তদন্তে সহায়তার ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হয়। আসামিদের গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হলে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, যেহেতু র্যাব সরাসরি ওই মামলার তদন্ত করছে না, তাই এ বিষয়ে থানা পুলিশই সবচেয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর