• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৭ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ রাত

ইউপি নির্বাচনে নতুন বিধিমালা: বাড়ছে জামানত, কঠোর হচ্ছে শর্ত

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা কমাতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের বিধিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীর জামানত ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী ব্যয়সীমাও দ্বিগুণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। বর্তমানে এই সীমা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী ব্যয়সীমা ৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো এবার নির্দলীয় ও প্রতীকবিহীন হওয়ায় বিশেষ করে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বেশি প্রার্থী, তাদের এজেন্ট ও কর্মী-সমর্থকদের কারণে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জামানতসহ বিভিন্ন শর্ত কঠোর করা হচ্ছে।

তবে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ানোর ফলে আর্থিকভাবে তুলনামূলক দুর্বল হলেও যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল আলীম। তাঁর মতে, এতে প্রার্থী সংখ্যা কমানো ও ‘ডামি’ প্রার্থীর প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হলেও নাগরিকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকারও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় ২৫ হাজার টাকা জামানত খুব বেশি নয়। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ আগে থেকেই ২৫ হাজার টাকা হওয়ায় এর সঙ্গে সমন্বয় করতেই ইউপি নির্বাচনে জামানত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় নির্বাচনী হলফনামায় নতুন কিছু তথ্য যুক্ত করা এবং অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে হুমকি, ভয় দেখানো বা আঘাত করা এবং ভোটারকে ভোটদানে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরিমানা করার ক্ষমতা, নির্বাচনী অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো প্রার্থীর এজেন্ট না থাকলেও নির্বাচন বৈধ বলে গণ্য করার বিধানও রাখা হচ্ছে।

২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনী ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ইসিতে এসেছে। আগামী সপ্তাহে এসআরও নম্বর দেওয়ার জন্য এটি আবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সংশোধিত বিধিমালার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]