“No Forests, No Rivers, No Water, No Life” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নদী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহে ছাত্র-যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহের শাপলা স্কয়ারের সামনে পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস, ময়মনসিংহ বিভাগ এর উদ্যোগে ব্রহ্মপুত্র নদ, সুতিয়া ও খিরু নদীসহ দেশের সকল নদ-নদী দখল-দূষণমুক্ত এবং নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ নিশ্চিত করার দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারিকা মোস্তফা পুন্য এবং সঞ্চালনা করেন গ্রীন ভয়েস বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখার সভাপতি ইফরান ইউসুফ শিহাব।
সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্যসচিব মোঃ আলমগীর হোসেন, ভালুকা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা শাখার সদস্যসচিব কামরুল হাসান পাঠান কামাল, গ্রীন ভয়েস আনন্দ মোহন কলেজ শাখার উপদেষ্টা ও ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল আমীন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা শাখার সদস্য ও এটিএন নিউজের ব্যুরো চীফ আসাদুজ্জামান সুমন, সংগঠক আলী ইউসুফ, চিত্রশিল্পী মো. রাজন, হুযাইফা কম্পিউটারস, ফিটনেস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদসহ গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, ছাত্র উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও সমাবেশে গ্রীন ভয়েস বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, আনন্দ মোহন কলেজ শাখা, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ শাখা ও কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নেতৃবৃন্দসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন পরিবেশ সচেতন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্র, সুতিয়া, খিরুসহ দেশের বহু নদী দখল, দূষণ, শিল্পবর্জ্য, অবৈধ স্থাপনা ও অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের কারণে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। নদী রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণও জরুরি। নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ, শিল্পকারখানায় কার্যকর বর্জ্য শোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত, নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বাপা ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্যসচিব মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সবসময় নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সোচ্চার। ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র থেকে শুরু করে ভালুকার নদীগুলোও আজ অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। নদী কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নদী রক্ষায় বিদ্যমান আইনগুলোর কঠোর ও কার্যকর প্রয়োগ এবং দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
বাপা ভালুকা শাখার সদস্যসচিব ও ভালুকা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান পাঠান কামাল বলেন, ভালুকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী ও খালগুলো শিল্পবর্জ্য ও অবৈধ দখলের কারণে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। সাংবাদিক সমাজ ও বাপার পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এসব নদী রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে। নদী রক্ষায় শিল্পকারখানায় ইটিপি শতভাগ কার্যকর করা, দূষণ বন্ধ এবং নদীগুলোকে দখলমুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি গ্রীন ভয়েসের এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ভালুকাতেও আয়োজনের আহ্বান জানান।
গ্রীন ভয়েস আনন্দ মোহন কলেজ শাখার উপদেষ্টা ও ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল আমীন বলেন, নদী একটি দেশের ধমনীর মতো। নদী তার স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ হারালে পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তরুণ শিক্ষার্থীরা নদী রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ায় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্থানীয় নদী দূষণের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে বৈজ্ঞানিক ও সচেতনতামূলক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বাপা ভালুকা শাখার সদস্য ও এটিএন নিউজের ব্যুরো চীফ আসাদুজ্জামান সুমন বলেন, গণমাধ্যমে নিয়মিত নদী দখল ও দূষণের খবর প্রকাশ করা হলেও শুধু সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নদী রক্ষা সম্ভব নয়। এর জন্য নাগরিক সচেতনতা, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ এবং সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। নদী রক্ষায় গণমাধ্যম তার কলম ও ক্যামেরা দিয়ে পাশে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংগঠক আলী ইউসুফ বলেন, নদী রক্ষা কোনো একক সংগঠনের কাজ নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। নদীগুলোকে নীরবে মরে যেতে দেওয়া যাবে না। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নদী রক্ষায় বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস বাকৃবি শাখার ছাত্র উপদেষ্টা বকুল আলী বলেন, নদী শুধু প্রকৃতির অংশ নয়, এটি জীবন ও সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদও দখল ও দূষণের কারণে বিপন্ন। নদী রক্ষা এবং পলিথিন ও বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধে তরুণদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস বাকৃবি শাখার সাধারণ সম্পাদক তাসকিয়া মালা বলেন, ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের প্লাস্টিক বর্জ্য নদীতে গিয়ে জলজ পরিবেশের ক্ষতি করছে। নদী ও প্রকৃতির অধিকার রক্ষায় শিক্ষার্থী ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক শিহাব হাসান অনিক বলেন, নদী শুধু পরিবেশের অংশ নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও জড়িত। নদী শুকিয়ে যাওয়া, দখল ও দূষণের ফলে পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস আনন্দ মোহন কলেজ শাখার আহ্বায়ক স্বর্ণা চাকলাদার বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে নদী রক্ষা সম্ভব নয়, এর পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা প্রয়োজন। ময়মনসিংহের প্রাণ ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের সকল নদী রক্ষায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস নেত্রকোনা জেলা শাখার আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম রিফাত বলেন, নেত্রকোনার কংস ও সোমেশ্বরীসহ বিভিন্ন নদী বালু উত্তোলন ও দূষণের কারণে সংকটে রয়েছে। নদী হারিয়ে গেলে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নদীগুলোকে দখলমুক্ত ও স্বাভাবিক প্রবাহে ফিরিয়ে আনতে দেশব্যাপী তরুণদের আন্দোলন আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রীন ভয়েস রুমডো ইন্সটিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজির সদস্য মো. তাওমান জাহান মাহিন বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষাও নাগরিক দায়িত্ব। নদীতে শিল্প ও শহরের বর্জ্য যাতে না মেশে, সে জন্য পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। নদী রক্ষায় তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
গ্রীন ভয়েস কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি নূর নবী বলেন, কুড়িগ্রামের তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন এবং শুকিয়ে যাওয়ার প্রভাব মানুষ প্রতিনিয়ত অনুভব করছে। আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে। কুড়িগ্রাম থেকে ময়মনসিংহসহ দেশের সকল নদী রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্য
সভাপতির বক্তব্যে গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারিকা মোস্তফা পুন্য বলেন, নদী রক্ষায় শুধু দিবসভিত্তিক কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। নদী দখল ও দূষণ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি, বিদ্যমান আইনের কার্যকর প্রয়োগ, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্রহ্মপুত্র, সুতিয়া ও খিরুসহ দেশের সকল নদ-নদীকে দখল-দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবি ও সুপারিশ
সমাবেশ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ, সুতিয়া ও খিরুসহ দেশের সকল নদ-নদী রক্ষায় নিম্নোক্ত দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়:
১। নদী দখলমুক্তকরণ ও সীমানা সংরক্ষণ:
সকল নদ-নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ ও সংরক্ষণ করতে হবে। নদীর সীমানার মধ্যে থাকা অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং পুনরায় দখল রোধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
২। নদী দূষণ বন্ধ ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা:
শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, বাজার, নৌযান, পয়ঃবর্জ্যসহ সকল উৎস থেকে নদীতে বর্জ্য ও দূষিত পানি ফেলা বন্ধ করতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।
৩। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা নিশ্চিতকরণ:
নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে এমন অবৈধ স্থাপনা ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক ও পরিবেশসম্মত উদ্যোগের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে।
৪। সংযুক্ত খাল, প্লাবনভূমি ও জলাশয় পুনরুদ্ধার:
নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল, বিল, প্লাবনভূমি ও অন্যান্য জলাশয় পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করতে হবে। নদী ও এসব জলাধারের স্বাভাবিক সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে হবে।
৫। নদীর তীরে অপরিকল্পিত স্থাপনা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ:
নদীর তীর ও প্রবাহপথে অবৈধ আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। নদী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেয়াল বা স্থাপনা নির্মাণ করে নদীকে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।
৬। নদীবান্ধব ও প্রকৃতিনির্ভর উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ:
নদী, খাল, বিল, জলাভূমি ও প্লাবনভূমির স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নদী-প্রতিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না।
৭। নদী ও জলাভূমির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ:
নদী, চর, বিল, হাওর, বাঁওড় ও অন্যান্য জলাভূমির বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মাছ, পাখি ও অন্যান্য জলজ ও স্থলজ প্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা করতে হবে।
৮। আন্তঃসীমান্ত নদীতে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ:
অভিন্ন ও আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ও বাংলাদেশের ন্যায্য পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নদী অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর পানি কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
৯। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করা:
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা দিয়ে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। নদী দখল ও দূষণ পর্যবেক্ষণে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।
১০। নদী রক্ষায় জবাবদিহি ও আইনের কার্যকর প্রয়োগ:
নদী দখলকারী, দূষণকারী ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ধ্বংসকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নদী রক্ষা সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের বাস্তবায়ন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং জনগণের কাছে এর অগ্রগতি ও ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।
সমাবেশে গ্রীন ভয়েস ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, তরুণ পরিবেশকর্মী এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন। সমাবেশ শেষে নদী, প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবন রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান প্রদর্শন করা হয়।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর