বরিশালে মাদকের আসর থেকে আটক হওয়ার পর থানা থেকে পালিয়েছেন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন (৩৮)। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আরও তিনজনের সঙ্গে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
দেলোয়ার হোসেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত। তিনি খুলনা সদরের শেরেবাংলা রোড এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেন সিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় আটক অন্য তিনজন হলেন বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ভট্টখামার নোয়াপাড়া এলাকার আবু সাঈদ মোল্লার মেয়ে নাহিদ হাসান (২৬), বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার মৃত এম এ বারির ছেলে মো. মিরাজুল ইসলাম (৩৪) এবং বরিশাল নগরের কাউনিয়া থানার পলাশপুর এলাকার হেমায়েত গাজীর ছেলে ফাতেমা আক্তার নুরজাত (৩০)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, একই দিন ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকায় মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই এএসআই দেলোয়ার হোসেনসহ চারজনকে আটক করা হয়।
আটকের পর দেলোয়ার হোসেনকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
থানাসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে থানা থেকে পালিয়ে যান দেলোয়ার হোসেন। তবে তাঁর পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেননি।
তিনি বলেন, ‘পালাননি হয়তো, ভয়ে দূরে কোথাও গেছেন।’
একজন পুলিশ সদস্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়ার পর থানা থেকে কীভাবে চলে গেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর