কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৫) হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে তার পোশাক ও জৈবিক নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তাজমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও পরীক্ষা করা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল্লাহ আল ফারুক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এসব আলামত ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. সুমন মিয়া তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণ করেন। পরে কিশোরীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে আইফোন নিয়ে নিজের অটোরিকশা ফেলে অন্য একটি অটোরিকশায় করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সুমন ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, ঘটনার আগের দিন কক্সবাজারের একটি হোটেলে কর্মরত রিয়াজ উদ্দিন রাজু ওরফে রাজু চৌধুরীর (২০) সঙ্গে তাজমিনের অবস্থানের তথ্য পাওয়া গেছে। সেখান থেকে বুধবার রাত ১২টার দিকে বাসে করে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় নামেন তাজমিন। এ ঘটনায় রোববার রাতে রাজুকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার পুলিশ।
সোমবার সকালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয় কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) বাড়ি ফেরার পথে কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় হত্যার শিকার হয় তাজমিন। পরদিন সকালে উপজেলার একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা কারাগারে রয়েছেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর