পঞ্চগড়ের রাতের আধাঁরে সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল নেতার বিরূদ্ধে। কাটা গাছগুলো এলাকাবাসী তাৎক্ষনিক জড়ো করে বনবিভাগ সহ পুলিশকে খবর দেয়। এতে করে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী সেই সাথে গাছ কর্তনকারী অসাধু ব্যাক্তিদের শ্বাস্ত্মী দাবী করছেন।
ঘটনাটি পঞ্চগড় সদর উপজেলা কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বিষ্ণু নারায়নি মৌজার কাটাবাড়ি এলাকায়। অভিযুক্ত তাঁতী দল নেতা হচ্ছেন জাহিরুল ইসলাম তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের পঞ্চগড় সদর উপজেলা সভাপতি। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওই তাঁতী দল নেতা। গাছ জব্দের সময় স্থানীয় জনতা বন বিভাগের লোকজনের মাঝে হট্রোগোল তৈরি হয়।
জেলা বনবিভাগের পঞ্চগড় সদর উপজেলার বীট কর্মকর্তা জয়নুল আবেদিন জানান বিষ্ণু নারায়নি মৌজায় ২০০৪ সালের রোপন করা ইউক্যালিপটাসের বাগান রয়েছে।
গতকাল রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে কাটাবাড়ি এলাকা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর আসে সরকারী গাছ কাটা অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের সহযোগীতায় ২১ টুকরো ইউক্যালিপটাস গাছ প্রায় ৩০ হাজার টাকা বেশি মূল্যের গাছ জব্দ করা হয়েছে।
তবে এলাকাবাসীর বরাতে তিনি জানান জাহিরুল প্রধান , হালিম এবং আনিস নামে ব্যাক্তিরা গাছ কাটার সাথে জড়িত রয়েছে। বর্তমানে জব্দ হওয়া গাছ কাটার ঘটনার তদন্ত করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নি:সন্দেহে ঘটনার সাথে জড়িতদের নামে মামলা হবে। স্থানীয় সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. সোহেল ঘটনাস্থলে ভিজুয়াল বক্তব্যে এলাকাবাসীদের প্রতিনিয়ত রাতেঁর আধাঁরে সরকারী গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বনবিভাগে জানানো হয়েছে এখনো তাঁতী দল নেতা জাহিরুলের বাড়ির সামনে কাটা গাছ রয়েছে তিনি গাছ কাটার বিষয়ে সব জানেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পঞ্চগড় পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে জানান আসলে কার প্রভাবে এসব গাছ কাটা হলো আমি চাই জড়িতদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হউক। কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য গমিরউদ্দিন প্রধান জানান জাহিরুল প্রধান সহ গ্রামবাসীদের সাথে পরামর্শ করে গাছগুলো কাটা হয়েছে। পরে জালাসি সহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে দেউআনীগিরে করে হট্রোগোল তৈরি করে গাছ জব্দ করিয়ে দিয়েছেন। এদিকে সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান আমি গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানিনা।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি মোখলেছুর রহমান জানান, কাটাবাড়ি এলাকার স্থানীয়রা আমাকে ফোন দিয়ে জানান সরকারী গাছ কেটে ট্রলিতে নিয়ে যাচ্ছে এজন্য পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় সেই সাথে পঞ্চগড় সদর সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) এবং বনবিভাগকে জানানো হলে বনবিভাগ কাটা গাছগুলো জব্দ করেন।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর