বান্দরবানের লামায় মোঃ আলমগীর (৫৫) নামে এক কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা-ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছেন, অপপ্রচার চালানো চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে। এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কৃষক মোঃ আলমগীর এর ছেলে মোঃ জাহিদ (২৬) স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা কামনা করেছেন।
মোঃ জাহিদ লিখিত অভিযোগে জানান, আমার বাবা মোঃ আলমগীর বান্দরাবনের লামা সদর ইউনিয়নের লেঙ্গাঘোনা স্থায়ী বাসিন্দা। ১৯৭৯-৮০ইং সালে আমার দাদী মনেজা বেগম ২৯৫নং লামা মৌজায় আর/০৮নং হোল্ডিং মূলে ৫ একর জমি বন্দোবস্তি পায়। বন্দোবস্তির পর আমার বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বাগান সৃজন সহ বসতঘর নির্মাণ করে নিষ্কণ্ঠকভাবে ভোগ করে আসছে। বার্ধক্যজনিত কারণে আমার দাদী মারা যান। ওয়ারিশ সূত্রে আমার বাবা ভোগদখলে আছেন।
হঠাৎ করে পাশর্^বর্তী চকরিয়ার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ার চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আমাদের ৪৫ বছরের ভোগদখলীয় জায়গা তার দাবী করে বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আদালতে ভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা করেন। মামলা নং- ১৬/২০২৬। মামলাটি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) লামাকে দায়িত্ব দেন বিজ্ঞ আদালত। পরে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্তের সময় মৌজার হেডম্যান, স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বাদী বিবাদী উপস্থিত ছিলেন।
তদন্ত প্রতিবেদন চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়ার পক্ষে না যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ২০ অক্টোবর আমার পিতা মোঃ আলমগীর ও সার্ভেয়ার আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে সাংবাদ সম্মেলন করে বিভ্রান্তির চেষ্টা করে। মূলত আমাদের জায়গা দখল করতে না পেরে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানী ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি হুমকি দিয়ে আসছে।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ কাইছার হামিদ বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভূমি বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালত দিবে। তবে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সচেষ্ট আছি।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর