গার্মেন্টস শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে যে অসন্তোষ, ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনা ঘটছে, সেগুলো প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলন নয়; বরং রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার। এসব ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে আজ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নাজমা আক্তার বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। গাজীপুরেও বিভিন্ন পক্ষের সংশ্লিষ্টতায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নাশকতা ও শিল্পকারখানা ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘শিল্প-কারখানা ধ্বংস করে তো লাভ নেই।’
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং নতুন মজুরি নির্ধারণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিল্পকারখানা ভাঙচুর বা আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
নতুন মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করে নাজমা আক্তার বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতেই বোর্ড গঠন করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে বোর্ড গঠন করায় তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় সরকারকে সহযোগিতা করা হবে। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন মজুরি ঘোষণা করার আহ্বান জানান তিনি।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর