• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৬ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩০ সকাল

পৃথিবীতে কি সত্যিই পরী আছে? যা বলছে বিজ্ঞান

ছবি: গ্রাফিক্স আর্ট

মানুষের কল্পনার জগতে পরী এক রহস্যময় চরিত্র। শত শত বছর ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের লোককথা, উপকথা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে পরীর উপস্থিতি পাওয়া যায়। কখনো তারা অপরূপ সুন্দরী নারী, কখনো ডানাওয়ালা ক্ষুদ্র মানবাকৃতির প্রাণী, আবার কখনো অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী এক অদৃশ্য সত্তা। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে এসে একটি প্রশ্ন এখনো মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে—পৃথিবীতে কি সত্যিই পরী আছে?

বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন। গভীর সমুদ্র থেকে দুর্গম পাহাড়, ঘন বনাঞ্চল থেকে বরফে ঢাকা মেরু অঞ্চল—প্রায় সব ধরনের পরিবেশেই জীবনের সন্ধান চালানো হয়েছে। প্রতিবছর নতুন নতুন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে। তবে রূপকথায় বর্ণিত পরীর মতো কোনো প্রাণীর অস্তিত্বের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

পরী সম্পর্কে কী বলে বিজ্ঞান?

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হলে পর্যবেক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট প্রাণীর শারীরিক নমুনা, জীবাশ্ম, জিনগত তথ্য, নির্ভরযোগ্য আলোকচিত্র কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায় এমন পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পরীর ক্ষেত্রে এ ধরনের গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পৃথিবীর কোনো স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণা এখন পর্যন্ত ডানাওয়ালা মানবাকৃতির অতিপ্রাকৃত প্রাণীর অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি।

জীববিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের মতো শারীরিক গঠনবিশিষ্ট কোনো প্রাণীর পক্ষে কেবল পিঠে একজোড়া ডানা থাকলেই উড়ে বেড়ানো সম্ভব নয়। উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত কঙ্কাল, শক্তিশালী পেশি, পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতা এবং বায়ুগতিবিদ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শারীরিক গঠন।

পাখি, বাদুড় ও পতঙ্গের উড্ডয়নক্ষমতা দীর্ঘ বিবর্তনীয় প্রক্রিয়ার ফল। কিন্তু রূপকথায় বর্ণিত মানুষের মতো দেহ, ক্ষুদ্র ডানা এবং অবাধে আকাশে ওড়ার ক্ষমতার সমন্বয় বাস্তব জীবজগতে পর্যবেক্ষিত হয়নি।

পরীর ধারণার উৎপত্তি কোথায়?

ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি গবেষণায় দেখা যায়, পরীর ধারণা কোনো একটি দেশ বা সভ্যতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন সংস্কৃতিতে অতিপ্রাকৃত মানবসদৃশ সত্তার গল্প প্রচলিত রয়েছে।

ইউরোপীয় লোককথায় 'ফেয়ারি' বা Fairy নামে পরিচিত চরিত্রগুলোর সঙ্গে প্রকৃতি, বনাঞ্চল, পাহাড়, নদী এবং জাদুবিদ্যার সম্পর্ক পাওয়া যায়। প্রাচীন কিছু বিশ্বাসে এসব সত্তাকে মানুষের উপকারকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, আবার কোথাও তাদের বিপজ্জনক ও রহস্যময় হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে পারস্যের সাহিত্য ও লোককথায় 'পেরি' বা 'পরী' এক পরিচিত চরিত্র। পারস্যের সাংস্কৃতিক প্রভাবের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য ও কল্পকাহিনিতেও পরীর ধারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলা রূপকথায় পরী সাধারণত সৌন্দর্য, অলৌকিক ক্ষমতা ও রহস্যের প্রতীক। রাজপুত্র, রাজকন্যা, জাদুর দেশ এবং অদ্ভুত সব ঘটনার সঙ্গে পরীর উপস্থিতি প্রায়ই দেখা যায়।

তবে সব সংস্কৃতিতে পরীর চেহারা বা বৈশিষ্ট্য এক নয়। কোথাও তারা মানুষের মতো, কোথাও ক্ষুদ্রাকৃতির, আবার কোথাও তাদের দৃশ্যমান শরীরের বর্ণনাই নেই। ফলে পরী বলতে ঠিক কোন ধরনের সত্তাকে বোঝানো হচ্ছে, তারও সর্বজনস্বীকৃত কোনো সংজ্ঞা নেই।

পরী দেখতে আসলে কেমন?

পরী সম্পর্কে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণা হলো, তারা অত্যন্ত সুন্দর এবং সাধারণ মানুষের তুলনায় আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। আধুনিক চিত্রকলা, চলচ্চিত্র ও অ্যানিমেশনে পরীদের প্রায়ই পিঠে স্বচ্ছ ডানা, উজ্জ্বল পোশাক এবং জাদুর কাঠিসহ দেখানো হয়।

কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে পরীদের সব সময় এমনভাবে কল্পনা করা হয়নি। ইউরোপের অনেক পুরোনো লোককথায় পরীদের মানুষের মতো আকারের কিংবা কখনো ভয়ংকর রূপের সত্তা হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে।

গবেষকদের মতে, পরীর চেহারা সম্পর্কে মানুষের প্রচলিত ধারণা মূলত সাহিত্য, শিল্পকলা, লোকবিশ্বাস ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। বাস্তবে কোনো পরী শনাক্ত না হওয়ায় তাদের প্রকৃত চেহারা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক বর্ণনা দেওয়ার সুযোগ নেই।

অর্থাৎ পরী দেখতে কেমন—এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানের কাছে নেই। কারণ যে সত্তার অস্তিত্বই প্রমাণিত নয়, তার শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করাও সম্ভব নয়।

পরী দেখার দাবি কেন করেন অনেকে?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতীতে এবং বর্তমানেও কেউ কেউ পরী বা রহস্যময় মানবসদৃশ সত্তা দেখার দাবি করেছেন। তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কিংবা প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা একাই কোনো অতিপ্রাকৃত প্রাণীর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়।

মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের মস্তিষ্ক অনেক সময় অস্পষ্ট দৃশ্য, আলো-ছায়া বা পরিচিত নয় এমন আকৃতিকে পরিচিত কোনো অবয়ব হিসেবে ব্যাখ্যা করে। এ ধরনের প্রবণতাকে 'প্যারিডোলিয়া' বলা হয়।

এ ছাড়া ঘুম ও জাগরণের মধ্যবর্তী অবস্থায় কিছু মানুষ এমন দৃশ্য বা উপস্থিতি অনুভব করতে পারেন, যার বাস্তব কোনো বাহ্যিক উৎস থাকে না। ঘুম-সংক্রান্ত হ্যালুসিনেশন বা স্লিপ প্যারালাইসিসের অভিজ্ঞতাও কখনো অতিপ্রাকৃত ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়।

তবে এসব ব্যাখ্যার অর্থ এই নয় যে, পরী দেখার প্রতিটি দাবির পেছনে একই কারণ কাজ করে। নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে হলে সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হয়।

পরী কি মানুষের মতো জীবনযাপন করতে পারে?

রূপকথায় পরীদের কখনো মানুষের সঙ্গে কথা বলতে, বন্ধুত্ব করতে, এমনকি প্রেমে পড়তেও দেখা যায়। কিছু গল্পে পরীরা মানুষের জগতে এসে বসবাস করে, আবার প্রয়োজন হলে নিজেদের অদৃশ্য করে ফেলে।

কিন্তু জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো প্রাণীর জীবনধারণের জন্য খাদ্য, শক্তি, বিপাকীয় কার্যক্রম এবং প্রজননের মতো মৌলিক জৈবিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।

পরীদের ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই। তারা কী খায়, কীভাবে বংশবিস্তার করে, কত বছর বাঁচে কিংবা তাদের শরীরের গঠন কেমন—এসব প্রশ্নের কোনো পরীক্ষিত উত্তর পাওয়া যায়নি।

তাই পরীদের মানুষের মতো জীবনযাপন করার ধারণাটি এখন পর্যন্ত কল্পকাহিনি ও লোকবিশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

প্রযুক্তির যুগেও কেন মেলেনি পরীর সন্ধান?

বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় প্রতিটি মানুষের হাতে ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোন রয়েছে। বনাঞ্চল পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা, বন্য প্রাণী শনাক্তে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। স্যাটেলাইট, ড্রোন ও উন্নত চিত্র বিশ্লেষণব্যবস্থাও গবেষণার সুযোগ বাড়িয়েছে।

এত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পরও পরীর অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো গ্রহণযোগ্য কোনো নমুনা বা পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়নি।

ইন্টারনেটে মাঝেমধ্যে পরীর ছবি বা ভিডিও দাবি করে বিভিন্ন কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কোনো ছবি বা ভিডিও দেখেই তার সত্যতা নিশ্চিত করা যায় না। ডিজিটাল সম্পাদনা, কম্পিউটার-নির্মিত দৃশ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এখন অত্যন্ত বাস্তবসম্মত কাল্পনিক দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব।

ফলে এ ধরনের কোনো দাবি যাচাই করতে মূল ভিডিও, ধারণের পরিস্থিতি, সম্ভাব্য সম্পাদনা এবং স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

তাহলে কি পরীর অস্তিত্ব একেবারেই অসম্ভব?

বিজ্ঞান সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। এখন পর্যন্ত পরীর অস্তিত্বের গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি—এটি একটি বৈজ্ঞানিক অবস্থান। তবে প্রমাণ না পাওয়া এবং কোনো কিছুর অস্তিত্ব চূড়ান্তভাবে অসম্ভব প্রমাণ করা এক বিষয় নয়।

পৃথিবীতে এখনো অসংখ্য অজানা জীবপ্রজাতি থাকতে পারে। বিশেষ করে গভীর সমুদ্র ও দুর্গম পরিবেশে নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নতুন কোনো জীবপ্রজাতি আবিষ্কারের সম্ভাবনাকে রূপকথার পরীর অস্তিত্বের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

কোনো দিন পরীর মতো অজানা কোনো প্রাণী আবিষ্কৃত হলে সেটিকেও অন্য সব জীবের মতো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও শ্রেণিবিন্যাসের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

মানুষের কল্পনায় পরী কেন এত জনপ্রিয়?

বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় রূপকথা ও লোককাহিনির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এগুলো মানুষের আশা, ভয়, আকাঙ্ক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে।

পরী কখনো সৌন্দর্যের প্রতীক, কখনো বিপদ থেকে উদ্ধারকারী, আবার কখনো এমন এক রহস্যময় শক্তির প্রতিনিধিত্ব করে, যা মানুষের সাধারণ ক্ষমতার বাইরে।

শিশুসাহিত্য থেকে চলচ্চিত্র, নাটক থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বিভিন্ন মাধ্যমে পরীর ধারণা নতুন নতুন রূপ পেয়েছে। সময়ের সঙ্গে পরীদের পোশাক, চেহারা ও চরিত্র বদলালেও তাদের ঘিরে মানুষের আগ্রহ কমেনি।

বাস্তবে পরী থাকুক বা না থাকুক, মানুষের কল্পনাজগতে তাদের অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী।

শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞান কী বলছে?

বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, পৃথিবীতে রূপকথায় বর্ণিত পরীর অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। পরীদের ডানা, জাদুকরী ক্ষমতা, অদৃশ্য হওয়ার সামর্থ্য কিংবা মানুষের মতো জীবনযাপনের কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তবে সাহিত্য, লোককথা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরী একটি গুরুত্বপূর্ণ কল্পিত চরিত্র হিসেবে টিকে আছে।

মানুষ একসময় অজানা অনেক প্রাকৃতিক ঘটনাকে অলৌকিক বলে মনে করত। বিজ্ঞান ধীরে ধীরে সেসব ঘটনার বহু ব্যাখ্যা দিয়েছে। কিন্তু পরীর মতো কিছু ধারণা আজও মূলত মানুষের কল্পনা ও বিশ্বাসের জগতেই অবস্থান করছে।

তাই প্রশ্নটির বৈজ্ঞানিক উত্তর আপাতত একটাই—পৃথিবীতে পরীর অস্তিত্বের কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নেই। তবে মানুষের কল্পনায় পরীদের বিচরণ থেমে নেই।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]