প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোঃ আসাদুজ্জামান

বরগুনা প্রতিনিধি

শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ৬ শিক্ষার্থী আহত

   
প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহ্ণ, ১২ জুলাই ২০১৯

ছবি: প্রতীকী

বরগুনায় ৫ম শ্রেণির গনিত বিষয়ে জ্যামিতি এবং অঙ্ক না পারায় সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফার বেত্রাঘাতে ৬ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পূর্ব ধূপতী মনসাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

আহত শিক্ষার্থীরা হলেন, প্রিয়াঙ্কা, মারিয়া জান্নাতি, মিথিলা আকতার, জান্নাতি, রেজাউল, অলি উল্লাহ্।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত প্রিয়াঙ্কা, মারিয়া ও মিথিলা আকতার বৃষ্টির কাছ থেকে জানা যায়, পূর্ব ধূপতী মনসাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির গনিত বিষয়ে জ্যামিতি এবং অঙ্ক না পারায় ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ৬ শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। শিক্ষার্থীদের হাতে পিঠে এমনকি উরুতে পিটিয়ে ফুলা জখম করেন তিনি।

আহত শিক্ষার্থী মিথিলার মা নুপুর বলেন, আমার বাচ্চা অঙ্কে সামান্য একটু ভুল করেছে যার জন্য শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ওকে গরুর মত পিটিয়েছে। উরুতে, হাতে পিঠে এবং আঙ্গুলে পিটানোর ফলে আঙ্গুল ফুলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় বাচ্চাকে আনতে স্কুলে যাই, তখন আমাদের সামনে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ দেয় শিক্ষক গোলাম মোস্তফা। এই শিক্ষককে এই স্কুলে আমরা চাই না। আমি এর বিচার চাই। এই শিক্ষক যদি এই স্কুলে থাকে, তাহলে আমার বাচ্চা আমি এখানে পড়াব না।

এ বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জয়নাল খলিফা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষক গোলাম মোস্তফা একজন খারাপ লোক, তার আচার ব্যবহার আদৌ ভালো নয়। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সাথে সে সব সময় দূর্ব্যবহার করে। সে একজন সুদের ব্যবসায়ী। এর আগে অন্য স্কুলে থাকাকালীন সময়ে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে এই শিক্ষক।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আজকের এই শিক্ষার্থী পেটানোর কঠিন বিচার দাবি করছি আমি।

জানতে চইলে শিক্ষক গোলাম মোস্তফা শিক্ষার্থী পেটানোর এ অভিযোগ অস্বিকার করে তিনি বলেন, এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি, তবে বাচ্চাদের সামান্য ধমক দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এআইআ/এইচি

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: