প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামের হয়রানি বন্ধের দাবি প্রবাসীদের

   
প্রকাশিত: ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, ২৬ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

২০১২ সাল থেকে টানা শ্রমবাজার বন্ধ সংযুক্ত আরব আমিরাতের। নতুন করে শ্রমিক ভিসা না হলেও গত কয়েকবছর ধরে ভ্রমণ ভিসায় অনায়াসে প্রবেশের অনুমিত পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। দেশটিতে ভ্রমণে গিয়ে এদের কেউ কেউ পরিবর্তন করছেন ভিসার ধরণ।

বিনিয়োগকারী কিংবা অন্য যেকোনো পেশার যৎসামান্য সুযোগ পেলেও সেটি কাজে লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভ্রমণকারীরা। করোনা মহামারি শুরুর খানিকটা আগেও বেশ সানন্দে এই পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন অনেকে।

কিন্তু করোনা ভাইরাস যেন প্রবাসীদের জন্য সঙ্গে নিয়ে এসেছে ‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামের আরেক নতুন মহামারি। করোনার শুরু থেকে ভ্রমণ ভিসা নিয়ে আমিরাতে প্রবেশে ইচ্ছুকদের ‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামে বিমানবন্দের দিতে হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা।

এই লেনদেনের সঙ্গে কোনোরূপ সংশ্লিষ্টতা নেই ভিসার এজেন্সি কিংবা আমিরাত প্রশাসনের। অথচ প্রতিদিন শত শত বিদেশগামী যাত্রী ‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামে নতুন করে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এই হয়রানি বন্ধে এবার দুবাইস্থ বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আবির এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গত মঙ্গলবার দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসাইন খানের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন তারা।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রবাসীদের হয়রানির বিষয়টি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

তাদের দাবি, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা পরিবর্তন হচ্ছে এবং ভ্রমণে আসা ব্যক্তিরা শ্রমিক ভিসার সুযোগ পাচ্ছে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে প্রবাসী ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

কিন্তু বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সিন্ডিকেট গঠন করে বিদেশগামী যাত্রীদের থেকে ‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে করে বিদেশ যেতে আগ্রহীরা নিরুৎসাহীত হচ্ছে। আবার ভিসা প্রাপ্তরা হচ্ছেন আর্থিক ক্ষতি শিকার। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সিন্ডিকেটের তৎপরতা বন্ধ করা না গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রবাসে থাকা ব্যবসায়ীরা। কমতে পারে রেমিট্যান্সও।

স্মরকলিপি প্রদানকালে সংগঠনের নেতারা বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে ‘এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক’ নামের এই হয়রানি বন্ধের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যথায় বর্তমানে যেসব ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়াতে ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন তারাও নিঃস্ব হতে হবে।

স্মরকলিপি প্রদানকালে বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুলফিকার ওসমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব সৈনিক, সংগঠনের উপদেষ্টা শফিউল আজম, সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনুর রশিদ সহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: