প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

এবার মাইকেল জ্যাকসন রূপে এলেন হিরো আলম

   
প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ, ২০ জানুয়ারি ২০২১

গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ‘বাবু খাইছো’ শিরোনামে একটি গান বেশ জনপ্রিয়তা পায় দেশের তরুণদের মাঝে। ফেসবুক ও ইউটিউবে গানটি রিলিজ পাওয়ার পর আর অল্প সময়েই তা ভাইরাল হয়। এরপর একই শিরোনামে গান গেয়েছেন হিরো আলম। আর এই গান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলে তুমুল আলোড়ন। আলোচনা সমালোচনাকে গায়ে না মেখে নিজের মতো হেঁটে যাচ্ছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গেয়েছেন ইওংরেজি ও হিন্দি গান। তুমুল তোপের মুখে পড়েনব এই দুই গান গেয়ে। তারপরেও হিরো আলমের গান গাওয়া থেমে থাকে নি। এবার এই সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয়েছেন মাইকেল জ্যাকসন অবতারে।

মঙ্গলবার বিকেলে প্রকাশিত একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে হিরো আলমকে এই চেহারায় দেখা যাবে। মিউজিক ভিডিও প্রকাশের আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শুটিং দৃশ্য প্রকাশ করেছেন। এই মিউজিকি ভিডিওর অন্তরালের গানটিও হিরো আলম নিজেই গেয়েছেন সঙ্গে গেয়েছেন রুমি।

হিরো আলম বললেন, নতুন নতুন পরিকল্পনা করেই কাজ করি। নতুন পরিকল্পনার অংশই এটি। আমার মনে হয় কালা মাইকেল জ্যাকসন গানটির ভিডিও মানুষের ভালো লাগবে। আমি তো সব মানুষের জন্য গান বা ভিডিও করি না। প্রত্যেকের একটি ভক্তশ্রেণী রয়েছে। আমারও একটি ভক্তশ্রেণী রয়েছে যারা আমার গান দেখে শোনে, শোনে। আমি তাদের জন্যই কাজ করি। আমি মনে করি আমার কাজ সবার দেখার দরকার নেই, সবার শোনার দরকার নেই। যারা আমার শ্রেণীভক্ত তারাই শুনবে, দেখবে। আমি তাদের জন্যই কাজ করি।

গানটি শিগগির প্রকাশ হবে বলেও জানান তিনি। আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। সম্প্রতি তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন গান গেয়ে। নেটিজেনরা কখনো তির্যক মন্তব্যে বিদ্ধ করেছেন তাঁকে, কখনো বা একহাত নিয়েছেন। আবার মামলাও খেয়েছেন, তাতে তাঁর কোনো কিছু যায় আসে না। তিনি ‘নিজের মতো চলো’ নীতিতে অটল। প্রথম গান গেয়ে সমালোচনার বন্যাকে উপেক্ষা করে একে একে ১০টি গান গেয়ে ফেলেছেন। এবার মিউজিক ভিডিওসহ সামনে আসছেন।

গান প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, নিজের শখের বসে গান করেছি। এখন স্টেজ প্রগ্রামে গান করব। দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেসব কনসার্টে যাই। সেসব জায়গায় আমি মানুষের গানে নাচ করতাম এখন আমি নিজেই গান গাইব। মানুষ যদি না চায় তাহলে আমি গান করব না। একটা কথা আমি বলতে চাই, মানুষ যা চায় আমি তা-ই করি। মানুষ পছন্দ করে বলেই আমি করি, না পছন্দ করলে করতাম না।

আশরাফুল আলম ২০১৬ সালে ফেসবুক গ্রুপগুলোতে ট্রোলড হচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বগুড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল এরুলিয়া থেকে গণমাধ্যমে প্রথমবার জায়গা পান। হিরো আলম সম্পর্কে অবাক করা তথ্য গোগ্রাসে গিলতে শুরু করে নেটিজেনরা। আগ্রহ দেখায় শোবিজের মানুষরা। এমনকি চলচ্চিত্রেও নেওয়া হয় হিরো আলমকে। পরে নিজের টাকা খরচ করে চলচ্চিত্র বানান হিরো আলম।

কাওসার/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: