প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

জিয়া খানকে অন্তর্বাস খুলতে বলেছিলেন পরিচালক

   
প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ণ, ২০ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

আবারো যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল বলিউড পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে। এর আগেও পরিচালকের বিরুদ্ধে ‘মিটু’র অভিযোগ নিয়ে উত্তাল হয়েছে বলিউড। জিয়ার মৃত্যুর প্রায় সাড়ে ৭ বছর পর চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি করলেন জিয়ার বোন কারিশমা। নতুন করে এ অভিযোগে বেশ নড়েচড়ে বসেছে বি-টাউন। হাসি মশকরার নামে মহিলাদের যৌন হেনস্থা করেন সাজিদ খান, এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন করিশ্মা। একটি ভিডিও এই সময় সোশ‍্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে। প্রয়াত অভিনেত্রী জিয়া খানকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছে বিবিসি। নাম ‘দ্য ডেথ ইন বলিউড। তবে এই তথ্যচিত্র ভারতে মুক্তি পাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ। কিন্তু তা সত্ত্বেও গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি ইতিমধ্যেই এই তথ্যচিত্র নিয়ে সরগরম।ওই তথ্যচিত্রেরই একটি ক্লিপ এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।

জিয়া খানের বোন বলেছেন, ঘটনাটি ঘটে ‘হাউজফুল’ ছবির সময়। তখন জিয়া খানকে টপ খুলতে বলেছিলেন সাজিদ। বাড়ি ফিরে কেঁদে ফেলেছিলেন জিয়া। বলেছিলেন, আমি চুক্তিবদ্ধ। যদি আমি ছেড়ে দিই ওরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। আমার নামে অপবাদ দিতে পারে। যদি আমি থেকে যাই, তাহলে আমাকে যৌন হেনস্তার শিকার হতে হবে।জিয়া খানের বোনের এই ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন কঙ্গনা।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, ওরা জিয়াকে মেরেছে। সুশান্তকে মেরেছে। আমাকে মারার চেষ্টা করেছে। ওদের প্রতি মাফিয়াদের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তাই প্রতি বছর তারা আরও শক্তিশালী ও সফল হচ্ছে। কঙ্গনা আরও বলেন যদি নিজেকে না রক্ষা করা হয় তবে কেউ তাকে রক্ষা করতে পারে না। ২০১৩ সালের ৩ জুন মুম্বইয়ের বাড়িতে জিয়া খানের মৃতদেহ পাওয়া যায়। তার রহস্যজনক মৃত্যু অনেকদিন ধরেই খবরে ছিল। জিয়া খানের মা রাবিয়া খান অভিযোগ তোলেন জিয়া আত্মহত্যা করেননি। তাকে খুন করা হয়েছে।

জিয়ার সুইসাইড নোটে আদিত্য পাঞ্চলির ছেলে সুরজ পাঞ্চোলির নাম পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে সুরজ পাঞ্চোলিকে মুম্বই আদালতে তোলা হয়। জিয়া খানকে নিয়ে যে তথ্যচিত্রটি বানানো হয়েছে সেখানে তদন্তের এই সম্পূর্ণ গতিপ্রকৃতি দেখানো হবে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি ব্রিটেনে এই তথ্যচিত্রটি মুক্তি পায়।

কাওসার/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: