প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ প্রার্থীকে জরিমানা

   
প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, ২৬ জানুয়ারি ২০২১

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় পৌরসভা নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন করায় এক মেয়র ও ২ কাউন্সিলর প্রার্থীকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পৌর এলাকায় আলাদা আলাদা স্থানে ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অর্থ জরিমানা করা হয়।

এতে পৌর নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৫-এর ১১(২) ধারা লঙ্ঘন করে শো-ডাউন করার দায়ে অনুষ্ঠেয় পৌরসভা নির্বাচনে নারিকেল গাছ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যাপক মিজানুর রহমানকে ৫ হাজার টাকা এবং নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৫-এর ১১(২) ধারা লঙ্ঘন করে রঙিন বড় ব্যানার প্রদর্শন করায় ২ নং ওয়ার্ডের বোতল প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জরিপ হোসেনকে ৩ হাজার টাকা ও সরকারি-বেসরকারি ভবনের দেওয়ালে পোস্টার লাগানোর কারনে ৬নং ওয়ার্ডের বোতল প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জিয়াউল হক কে (ফরিদ) ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান এ অর্থদন্ডাদেশ প্রদান করেন।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ, নকলা থানার এসআই হাসানুজ্জামান, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট পেশকার রাশেদুল কিবরিয়া রাশেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমানের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে জন সমাগম সৃষ্টি করেন এবং বিশাল শো-ডাউন করেন। এতে পৌরসভা নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘন হওয়ায় তাকে জরিমানা করা হয়েছে। তাছাড়া রঙিন বড় ব্যানার প্রদর্শন করায় কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জরিপ হোসেনকে এবং সরকারি-বেসরকারি ভবনের ফটক ও দেওয়ালে পোস্টার লাগানোর কারণে জিয়াউল হক কে (ফরিদ) জরিমানা করা হয়।

এদিকে, নির্বাচন নিকটে চলে আসায় প্রার্থীরা বা প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে পারেন। তাই পৌর সভার বিভিন্নস্থানে নির্বাচনী আচারণ বিধি মানা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদের নেতৃত্বে প্রায়ই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী আচারণ বিধি লঙ্ঘন করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাই নির্বাচন পরিচালনা ও সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত করার লক্ষে এ নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: