হল ছাড়তে জাবি প্রশাসনের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের

   
প্রকাশিত: ১২:৪৭ অপরাহ্ণ, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের পর শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গেটের তালা ভেঙে হলে উঠে পড়া শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে প্রশাসনের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজ সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার মধ্যে নিজ উদ্যোগে হল ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নিরাপত্তার কারণে তারা হলে অবস্থান নিয়েছেন এবং প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিতে তারা হল ছেড়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সামিয়া হাসান বলেন, আমরা প্রশাসনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা হল থেকে বের হব না। আমরা যে আল্টিমেটাম দিয়েছি, সেটাই এখনো চলমান আছে। স্থানীয় চিহ্নিত ব্যক্তিরা হামলা করলেও প্রশাসন কেন অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, সেটা আমরা জানতে চাই।

গতকাল দিবাগত মধ্যরাতে জাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বলা হয়। অন্যথায় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সরকারি নির্দেশে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ মার্চ ২০২০ হতে অদ্যাবধি ক্লাস ও হল বন্ধ রয়েছে (তবে অনলাইন ক্লাস চালু রয়েছে)। ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোনো কোনো আবাসিক হলে জোরপূর্বক প্রবেশ করে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার মধ্যে নিজ উদ্যোগে হল ত্যাগ করতে নির্দেশ দিচ্ছে। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

জাবির প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোতাহার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের হলে অবস্থানের বিষয়টি নিয়ে আমরা একটি বৈঠক করছি। বৈঠক শেষে আমরা প্রতিটি হলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চলে যেতে বলব। তারা আমাদের প্রস্তাব না মানলে পরবর্তীতে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’ বৈঠকে জাবি উপাচার্য উপস্থিত আছেন বলে জানা গেছে।

ইলিয়াস/এসক

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: