যে মামলায় গ্রেপ্তার হলেন হেফাজত নেতা মামুনুল হক

   
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ণ, ১৮ এপ্রিল ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের পর তাকে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে হারুন-অর-রশিদ সাংবাদিকদের জানান, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিসি হারুন বলেন, মোহাম্মদপুর থানায় একটি ভাঙচুরের মামলা ছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত করছিলাম। আমরা কনফার্ম হয়েছি তিনি এই মামলার সঙ্গে তিনি জড়িত। মোহাম্মদপুর থানার মামলায় জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে পৌনে একটার দিকে গ্রেপ্তার করি। এ ঘটনা তিনি জানেন। সত্যতাও স্বীকারও করে নিয়েছেন।

২০২০ সালের ওই মামলায় এজহারভুক্ত আসামী ছিলেন মামুনুল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের কাছে সুস্পষ্ট তথ্য আছে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। আমরা আরও শুনেছি, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাঙচুর ও বক্তব্য দিয়েছে। এসব বিষয়ে তার নামে আরও মামলা রয়েছে। সেগুলোতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখাবো। তেজগাঁও বিভাগের ডিসি আরও বলেন, যেহেতু তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন সেহেতু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামীকাল (সোমবার) আদালতে নেয়া হবে। সে পর্যন্ত তিনি থানায় থাকবেন।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে নারীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই রিসোর্টে ভাঙচুর চালায় হেফাজতের নেতাকর্মীরা। ওই ঘটনায় বুধবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে মামুনুল হককে প্রধান আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ওই মামলায় ৮৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাতনামা ৬’শ জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া স্থানীয় এক সংবাদকর্মীকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

অন্যদিকে, গত ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় ৫ এপ্রিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় ওই মামলাটি করেন। এ ছাড়া ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

নাঈম/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: