মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল: ১০০ শয্যায় কোভিড ডেডিকেটেট

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২১, ০১:৪০ এএম
২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালকে করোনাকালীন সময়ে ১০০ শয্যাকে কোভিড ডেডিকেটেট ইউনিটে রূপ দেওয়া হয়। সম্প্রতি সারাদেশের ন্যায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে থাকলে জেলা সদর হাসপাতালের ধারণ ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যায়। এরপররই আরো ৫০টি বেড সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। কোভিড ডেডিকেটেট ইউনিটে ৯৮টি সাধারণ বেড এবং ২টি আইসিইউ। তবে এই চুড়ান্ত সময়ে এসেও আইসিইউটি আশার আলো দেখেনি। আইসিইউ পরিচালনায় প্রশিক্ষিত চিকিৎসক এবং দক্ষ জনবল না থাকায় এখনো চালু করা যায়নি। হাসপাতাল কতৃপক্ষের দাবী সকল সমস্যা কাটিয়ে দু-এক দিনের মধ্যেই চালু হবে আইসিইউ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ৬ষ্ঠ, ৭ম এবং ৮ম তলা (কেবিন ব্লক) পুরোটাই কোভিড ডেডিকেটেট। এখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন, নয়টি ভেন্টিলেটর, ১২টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, ১৩টি অক্সিজেন কনসেনট্রেট, ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। আজ শনিবার বিকেল পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্যমতে জনাযায়, হাসপাতালে কোভিড পজিটিভ রোগী ভর্তির সংখ্য ৭৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছে আরো ৩৩ জন। কোভিড রোগীর জন্য ৯৮টি সাধারণ শয্যা থাকলেও অতিরিক্ত আরো ১০জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। যারকিনা নতুন ৫০টি বেড সংযোজনের ১০টি দখল করেছে। আপাদত ১’শ টি সিলিন্ডার থাকলেও আরো ২’শত সিলিন্ডারের জন্য চাহিদাপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অতিদ্রুত চাহিদাপত্র অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়াযাবে বলে আশাবাদী হাসপাতাল কতৃপক্ষ। গত সাত দিনে (১-৭ জুলাই) কোভিড ইউনিটে রোগী ভর্তি হয়েছে ২২ জন। সংক্রমেনের হার এভাবে থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই অতিরিক্ত বেডগুলো পরিপূর্ণ হয়েযাবে। সংক্রমনের হার না কমলে পরবর্তিতে হাসপাতালে রোগী জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না। সামনের দিনগুলোতে সংক্রমন কমবে না বাড়বে সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করাই এখন চ্যালেন্জ হিসেবে দেখা হয়েছে। কোভিড ডেডিকেটেট ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসক মানবেন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, নতুনকওে ৫০টি বেড সংযোজন করা হয়েছে। অক্সিজেনের ১’শ টি সিলিন্ডার আছে আরো ২’শ সিলিন্ডারের চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে। আপাদত চিকিৎসা দিতে কোন প্রকার সমস্যা নাই। আইসিইউ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে আমরা আইসিইউ চালু করতে পারব। এতে করে মুমূর্সূ রোগীরা সঠিক সেবা পাবে। মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কাজী এ কে এম রাসেল বলেন, এখনো পর্যন্ত আমরা সংকিত নই। নতুন বেড এবং অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে আক্রান্তের হার বেশি হলে অবশ্যই সংকার বিষয়। উল্লেখ্য, জেলায় এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ৩৫৩টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৩৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৩৯৯ জন। বাকিরা হাসাপতাল এবং নিজ বাসায় আইসোলেশনে আছেন। মৃত্যু ৫৭ জন।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: