প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

রিপন আলি রকি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

ভাঙন হুমকিতে ২৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আলাতুলি বাঁধ

   
প্রকাশিত: ১০:২৪ অপরাহ্ণ, ৩০ জুলাই ২০২১

ছবি: প্রতিনিধি

চলতি বর্ষা মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর ইউনিয়নের তড়পা ঘাট এলাকার মহানন্দা নদীতে নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে তলিয়ে যাচ্ছে এলাকার ফসলি জমি। হুমকির মুখে রয়েছে বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এছাড়াও হুমকির মুখে রয়েছে ২৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীতে নির্মিত আলাতুলি এলাকা রক্ষা প্রকল্পের বাঁধের শেষ অংশ। প্রতি বছর বন্যার সময় পদ্না ও মহানন্দা নদী ভয়ালরূপ ধারণ করে। বর্তমানে একটু একটু করে জমির অংশ যাচ্ছে নদীগর্ভে।

গত ১৫ দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের তড়পা ঘাট এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাব্যাপী দেখা দিয়েছে এই ভাঙ্গন। হুমকির মুখে রয়েছে ফসলি জমির পাশাপাশি বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙ্গন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙ্গন রোধে দ্রুতই পদক্ষেপ নেয়ার দাবি স্থানীয়দের। দেবিনগর ইউনিয়নের বারোরশিয়া গ্রামের অহেদ জানান, হাজার হাজার বিঘা ফসলী জমি ও বসতবাড়ি ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে। কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে পথে বসবে ইসলামপুর, দেবীনগরের হাজার হাজার পরিবার।

দেবীনগর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল রহিম বিশ্বাস  জানান, ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছিলেন।  স্থায়ীভাবে বাঁধ না দিলে হুমকির মুখে পড়বে কয়েক’শ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীতে নির্মিত আলাতুলি এলাকার রক্ষা প্রকল্পের শেষ অংশও। আর নদী ভাঙ্গনের প্রকোপ সামাল দিতে না পারলে ভেস্তে যেতে পারে সরকারের সকল উন্নয়ন। গত বছর বন্যার সময় যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেছি, এবারো যদি সে অবস্থা দাঁড়ায় তাহলে অনেক ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর কয়েকটি পয়েন্ট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের শংকা চলতি মৌসুমে ভাঙ্গনের কবলে পড়তে পারে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীরবর্তী অন্তত ৩০ টি পয়েন্ট। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানান, দেবিনগর ইউনিয়নের তড়পা ঘাট এলাকার মহানন্দা নদীর প্রায় আড়াই কিঃ মিঃ জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি জানান, চলতি মাসের ৭ জুলাই এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। উর্ধতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে অর্থ বরাদ্দ আসলেই জিও ব্যাগ দিয়ে কাজ শুরু করা হবে।

ফরমান/মস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: