প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোঃ শাকিল শেখ

সাভার করেসপন্ডেন্ট

আশুলিয়ায় কেমিক্যালে মাছ মারার ঘটনায় কারখানা পরিদর্শনে পরিবেশ অধিদপ্তর

   
প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ণ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

সাভারের আশুলিয়ায় কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য ও কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি পুকুরে পরে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় কারখানা পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা। পরিদর্শনকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এছাড়া ওই কারখানায় নেই এ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্ট বা ইটিপি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এসব ছাড়াই চলছে ডায়িং কারখানা।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আশুলিয়ার কলতাসূতি মরিচকাটা (কলেজপাড়া) এলাকার মার্স ওয়াশ এন্ড ডায়িং লি: কারখানা পরিদর্শনে আসে ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক ফাতেমা তুজ জহুরা। এসময় কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

এলাকাবাসী জানান, ডায়িং কারখানা চালাতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র সহ অবশ্যই এ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) থাকা বাধ্যতামূলক। তবে এই কারখানা বিগত এক বছরেরও বেশী সময় ধরে চললেও কোন ইটিপি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই। তারা ডায়িং কারখানার অপরিশোধিত পানি ফেলছে। আর ওই কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য পানি গত ২৪ জুন রাতে কারখানার পাশের পুকুরে পড়ে সমস্ত মাছ মারা যায়।

এতে পুকুর মালিকের প্রায় লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়। ঘটনায় পুকুর মালিক রেজাউল করিম আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরেও একটি লিখিত অভিযোগ দেন। সর্বশেষ গত ১৮ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা বরাবরেও একটি অভিযোগ দেন পুকুর মালিক। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই রবিবার সকালে কারখানা পরিদর্শনে আসে ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক।

মার্স ওয়াশ এন্ড ডায়িং লি: কারখানার এমডি মো: রুস্তম আলী মন্ডল জানান, বিদ্যুৎ না থাকার কারণে কাগজপত্রের কোন প্রিন্ট কপি দেখানো সম্ভব হয়নি। আমাদের ইটিপি এখন নেই, তবে সব প্রসেসিং করা আছে। যেকোন সময় স্থাপন করা হবে। এছাড়া পরিবেশ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা হয়েছে। পুকুরে মাছ মারা যাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, মাছ কি কারণে মরেছে সেটাতো আমরা জানি না। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কাউকে দুষারোপ করা ঠিক না। তারা শুধু শুধু আমাদের নানাভাবে হেনস্তা করছে।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলার পরিদর্শক ফাতেমা তুজ জহুরা বিডি২৪ লাইভকে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে এই কারখানা পরিদর্শনে আসা হয়। ওই কারখানায় কোন ইটিপি নেই। এছাড়া কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানার কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। শুধু একটি মানি রিসিভ দেখিয়েছেন। এছাড়া পরবর্তীতে আরো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরমান/মস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: