আত্মহত্যা কখনোই জীবন সংগ্রামে প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না

   
প্রকাশিত: ১২:৩৬ অপরাহ্ণ, ৬ জুন ২০২২

আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি থেকে: ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘প্রাণ’ কবিতায় এভাবে বললেও দুনিয়ার মায়া-মোহ ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি জমাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন আত্মহননকারীরা। মানুষ যেখানে সংগ্রাম করে বেঁচে চলছে, দিন দিন গড়ে তুলছে সভ্যতা। সেখানে প্রতিদিনই শুধু বাংলাদেশ না সারা বিশ্বে মানুষ আত্মহত্যা করে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে, ছিড়ে ফেলছে দুনিয়ার সকল মায়ার বাঁধন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ, হতাশা, অবসাদ ও হেনস্থার শিকার হয়ে মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। আবার আর্থ-সামাজিক সমস্যা ও পারিবারিক সংকটের কারণেও অনেকে আত্মহত্যা করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে আট লাখ লোক আত্মহত্যা করেন৷ দৈনিক আত্মহত্যা করেন দুই হাজার ১৯১ জন৷ প্রতি লাখে ১৬ জন৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফিন্যান্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহকারী পরিচালক হিসেবে। মাতৃ বিয়োগের কারণে নিয়মিত নির্ঘুম রাত যাপন করতেন। এক সময় সহ্য না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। শুধু মেহেদী না, প্রতিনিয়তই এমন ঘটনা ঘটেই চলছে। কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে, কেউ ক্ষতিকর কোন পদার্থ খেয়ে, যানবাহন কিংবা উচ্চ ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে।

এর আগে গত বুধবার (১ জুন) রাজধানীর আদাবর এলাকার জাপান গার্ডেন সিটির সু-উচ্চ ভবন থেকে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ সেশনের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ শিক্ষার্থী জাইনা হাবীব প্রাপ্তির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের ধারণা আত্মহত্যা করেছে জাইনা। সহপাঠীরা বলছে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তাঁকে বিষিয়ে তোলে, তাই সে আত্মহত্যা করে।

বিবিএস-এর জরিপ বলছে, বাংলাদেশে বছরে আত্মহত্যা করছেন প্রায় ১৩ হাজার মানুষ৷ গড়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছেন ৩৫ জন৷ পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১০ হাজার মানুষ শুধু ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন৷

এ ব্যাপারে সমাজবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক জিনাত হুদার সঙ্গে কথা হয় বিডি২৪লাইভের। তিনি মনে করেন, পারিবারিক বন্ধনগুলো কিছুটা শীতিল হলে যখন একজন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তখন আর বেঁচে থাকার আগ্রহ পায় না। ঠিক তখনই আত্মহননের দিকে ঝুঁকে।

যুক্তরাষ্ট্রের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট সাইকোলজি টুডেতে প্রকাশিত ‘সুইসাইড: ওয়ান অব অ্যাডিকশনস হিডেন রিস্ক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলছে মাদকাসক্তই আত্মহত্যার চিন্তা করে। ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, যারা আত্মহত্যা করেন তাদের তিনজনের মধ্যে একজন মাদকাসক্তের কারণে এই পথ বেছে নেন, যাঁদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ মাদকাসক্তই আত্মহত্যার চিন্তা করে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতির কারণে ২৪.৭৫ শতাংশ, পারিবারিক সমস্যার কারণে ১৯.৮০ শতাংশ, মানসিক যন্ত্রণায় ১৫.৮৪ শতাংশ, পড়াশোনার যন্ত্রণায় ১০.৮৯ শতাংশ, আর্থিক সমস্যায় ৪.৯৫ শতাংশ মানুষ আত্মহত্যা করছে। ২০২১ সালে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ১০১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ৬১ শতাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে, ১২ শতাংশ মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে, ৪ শতাংশ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে, ২৩শতাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১১ সালে বাংলাদেশে আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৬৯৭ জন। প্রতি বছর ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে গড়ে ১০ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। এ ছাড়াও ঘুমের ওষুধ খেয়ে, ছাদ থেকে লাফ দিয়ে, রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে এ সংখ্যা আরো বেশি।

করোনা পরবর্তী সময় ও বিশ্বের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা প্রত্যেকটি মানুষকে ভীষণভাবে চাপের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জোবেদা খাতুন। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) বলছে, কোভিড অতিমারির সময় বাংলাদেশে পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় ৪৬ শতাংশের মধ্যে বিষন্নতা, ৩৩ শতাংশের মধ্যে দুশ্চিন্তার লক্ষণ পাওয়া গেছে৷

অধ্যাপক জোবেদা খাতুন বলেন, করোনার কারণে শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন ঘটেছে। চাইলেও যে-কেউ স্ট্রেস ম্যানেজ করতে পারছে না। এমন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে যে একসময় ভাল সমস্যা সমাধান করতে পারত, সে এখন তা পারছে না। প্রচুর পরিমাণে রাগ বেড়ে যাচ্ছে। চাপ মেনে নেয়া নিতে পারছে না কোনভাবেই।

অন্যদিকে অর্থনীতির ওঠা-নামাতে অনেকে চাকরি থেকে ছাটাই কিংবা নতুন চাকরিতে যোগদান করবে তাও বিলম্ব হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিও আমাদের মানসিক জীবনে একটি খারাপ প্রভাব রাখছে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোও কঠিন হয়ে পড়ছে মানুষের। যার ফলে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েই চলছে।

দেশে বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক টেলিসেবা দিচ্ছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাঁদের সাথে বিডি২৪লাইভের কথা হলে, তাঁরা জানান হতাশা জনিত ফোনকলগুলো তাঁরা এসময়ে বেশি পেয়ে থাকছেন। যাদের মধ্যে মধ্যবয়সীদের সংখ্যা বেশি বলে জানান ওই প্রতিষ্ঠানটি।

মেন্টাল হেলথ টেক্সাস বলছে, বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বার্ষিক প্রায় এক মিলিয়ন মৃত্যুর জন্য দায়ী। গত ২০ বছরে আত্মহত্যার হার ৩০% এর বেশি বেড়েছে।

শিক্ষা জীবন কিংবা প্রেমে ব্যার্থতার বিষয়টি কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে সমাজবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক জিনাত হুদা জানান, আত্মহত্যা কখনোই প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। জীবনে উত্থান-পতন আসবে। সেগুলো সবকিছু মেনে নিয়েই সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হবে, সামনের দিকে এগোতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রিভেন্টিং সুইসাইড: অ্যা সোর্স ফর মিডিয়া প্রফেশনালস ২০১৭ জরিপের ভাষ্যমতে ‘প্রতি বছর বিশ্বে ১০ লাখ মানুষ আত্মহত্যা করে। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আর এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৪৫ বছরে আত্মহত্যার ঘটনা প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমান বিশ্বে ১৫-৪৪ বছর বয়সী মানুষের মৃত্যুর প্রধান তিনটি কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে আত্মহত্যা।

রাগে-ক্ষোভে আত্মহত্যার করার প্রবণতা মধ্যবয়সীদের মধ্যে বেশি। সেই সঙ্গে আত্মহত্যাকে একটি সংকট হিসেবে দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহামুদুর রহমান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে সুন্দরভাবে যে বাঁচা যায় সেটি শেখাতে হবে। মানুষকে টিকে থাকার সংগ্রাম শেখাতে হবে।

ওই অধ্যাপক আরো মনে করেন, আত্মহত্যার আগে যদি আমরা আত্মহননের দিকে ঝুঁকতে চাওয়া ব্যাক্তির সামষ্টিক বিষয়গুলো আগেই খতিয়ে দেখি হয়তো তাঁকে আত্মহত্যা থেকে আগেই ছুটিয়ে দেয়া সম্ভব হবে।

অলাভজনক একটি বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশনের পরিচালিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে ২০২১ সালে ১০১ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। ২০২০ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ৭৯ জন। ২০২২ এ গিয়ে তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। জরিপে বলছে, আত্মহত্যা করা ১০১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬২ জনই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। মোট আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পুরুষ।

মনোবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহামুদুর রহমান বলেন, পরিবার, সমাজ জন্য এমন থাকে পারস্পারিক বন্ধন, ইন্টারনেট আসক্তি, নির্যাতন, মানুষে মানুষে বৈষম্য বর্তমানে সুইসাইড রেট বাড়িয়ে দিচ্ছে। এজন্য পারিবারিক বন্ধগুলো সুদৃঢ় করা প্রয়োজন। যেন পরিবারের প্রত্যেক সদস্যই কোন অসুবিধাতে পড়লে অন্যজনের সাথে খোলা মেলা আলোচনা কিংবা কথা শেয়ার করতে পারে।

এছাড়াও সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘সুইসাইড প্রিভেনশন প্রোগ্রাম’ চালু করা দরকার, বলে মনে করেন মাহামুদুর রহমান। তাছাড়া আত্মহত্যা কিভাবে সংগঠিত হতে পারে, কারা করতে পারে, কখন হসপিটালে ভর্তি করতে পারে এ ব্যাপারে সকলের ট্রেনিং ও আন্ডারস্ট্যান্ডিং প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

মনেবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক জোবেদা খাতুন বলেন, আত্মহত্যা নিয়ন্ত্রণে সচেতনা অনেক জরুরী। দেশে সচেতনতা ও সচেতনতা বাড়াতে সুযোগের জায়গাগুলোও কম। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সেমিনারের ব্যবস্থা করা উচিত। এছাড়া পাঠ্য পুস্তকে নন ক্রেডিট কোর্স হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্য যত্ন বিষয়ক কোর্স রাখা উচিত।

কমিউনিটি ক্লিনিক প্রান্তিক মানুষদের জন্য এক আদর্শের জায়গা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। অধ্যাপক জোবেদা খাতুন বলেন, সেখানে যদি মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক পৃথক ব্যবস্থা করা হয় এবং কোন মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ রাখা হয়। তাহলেও মানুষ দোরগোড়ায় সেবা পাবে।

তাছাড়া কমিউনিটি পর্যায়ে করতে পারি, সেটি চেয়ারম্যান কিংবা কাউন্সিলর যুবকদের নিয়ে বসতে পারেন একটি নির্দিষ্ট দিনে, যেখানে সমস্যা কিংবা হতাশা নিয়ে আলেচনা করা যেতে পারে। তাহলে হয়তো আত্মহত্যার রেট কমে আসবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জোবেদা খাতুন।

এদিকে সমাজবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক জিনাত হুদা বলেন, সফল মানুষেরাও কিন্তু আত্মহত্যা করেন। সুইডেন, নরওয়ের মত সুখী দেশের মানুষেরাও আত্মহত্যা বেছে নেয়। যে মানুষ সব পেয়ে যায়, সেও ক্রমান্বয়ে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ❝যখন একজন সব পেয়ে যাচ্ছি তখন মনে হয় কিসের জন্য বাঁচব, যখন একজনের সব হারিয়ে ফেলছে কিসের জন্য ভাবব।❞ এগুলো মনে জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে তখন মানুষ আত্মহত্যা করেন।

এ সমাজবিজ্ঞানী মনে করেন, সমাজের ও পরিবারের মধ্যাকার সুস্থ ও সুন্দর বন্ধন প্রয়োজন। যেখানে পরস্পর পরস্পরকে সময় দেয়া কিংবা কোন কিছু শেয়ার করার মত বিষয়গুলো যখন অবাধ থাকবে তখন এমনিতে আত্মহত্যা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

মেন্টাল হেলথ টেক্সাস আত্মহত্যা করতে এমন ব্যাক্তির কিছু বিবৃতি বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত করতে করেছে। সেগুলো হল: আমি আত্মহত্যা করতে চাই, আমি যদি মারা যেতাম, আমি নিরাশ বোধ করি, বেঁচে থাকার কোনও কারণ নেই, আমি কেবল ব্যথাটি শেষ করতে চাই, আমি খুব বোঝা অনেক, আমি আটকা পড়েছি।

এছাড়াও তারা আত্মহত্যা করতে চায় এমন ব্যাক্তির আচরণগুলি অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেগুলো হল: নিজেকে হত্যা করার উপায়ের কাছে অ্যাক্সেস সন্ধান করা (বড়ি, অস্ত্র), অ্যালকোহল বা ওষুধের ব্যবহার বৃদ্ধি, মূল্যবান সম্পত্তি দেওয়া, অন্যকে বিদায় জানাতে ডাকছে, মৃত্যুর বিষয়ে কথা বলা বা লেখা, অন্যের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন, ক্রিয়াকলাপ থেকে সরিয়ে নেওয়া, আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার উপায়গুলি নিয়ে গবেষণা করা।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: