প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

সোহাগ হোসেন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডশেডিং !

   
প্রকাশিত: ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, ২৩ জুলাই ২০২২

সাতক্ষীরায় প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডশেডিং দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে। শিডিউলে উল্লেখিত নিয়মানুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করছেনা কতৃপক্ষ। এনিয়ে জেলায় ব্যাপক জন-ভোগান্তির দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ নানা ভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে, এলাকা ভিত্তিতে লোডশেডিং এক ঘন্টা উল্লেখ থাকলেও ঘাটতিজনিত কারনে সেটার সময়সীমা পরিবর্তন করতে হচ্ছে বলে জানান সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউর রহমান।

তিনি জানান, জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় ৫ লাখ ৯৩ হাজার গ্রাহক রয়েছে। তবে এই গ্রাহকের বিপরীতে ১২২ মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও চাহিদার তুলনায় ১৭-১৮% বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকছে প্রতিদিন। সে জন্য শিডিউলে উল্লেখিত সময়সীমা অঘোষিত ভাবে পরিবর্তন করতে হচ্ছে। তাছাড়া এলাকা ভিত্তিক লোডশোডিং এর সময় ও ধরন দুটো ই পরিবর্তন হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ যেমন পাচ্ছি তেমন সাপ্লায় হচ্ছে। এখানে বিকল্প কিছু করার নেই। ঘাটতি কাটিয়ে না উঠা পর্যন্ত এভাবে চলতে থাকবে বলে জানান তিনি তালা উপজেলা শিবপুর গ্রামের বোরহান উদ্দীন জানান, দিনে ৫ থেকে ৬ বার লোডশেডিং আবার রাতে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডশোডিং এর ফলে ভুগান্তির শেষ নেই। একদিকে গরম অতিষ্ঠ হয়ে যেতে হচ্ছে অন্যদিকে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি আরও জানান, গত দুই দিনে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ বার লোড শোডিং হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, মাত্রা অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। ঘোষনা দিচ্ছে এক বাস্তবে হচ্ছে ভিন্ন। এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও তার কোন সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

কলারোয়া উপজেলা সদরের ওমর ফারুক জানান, দিনে রাতে সমান লোডশোডিং হচ্ছে। দিনে একটু বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ নেই গরমে। রাতে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর বিদ্যুৎ যায়। গত দুইদিনে খাওয়া ঘুম হারাম করে দিচ্ছে বিদ্যুত কতৃপক্ষ।

তবে জেলার সাতটি উপজেলার তুলনায় সাতক্ষীরা জেলা শহরের বিদ্যুৎ’র ঘাটতি একটু কম। এখানে ৫২ হাজার গ্রাহকের বিপরীতে চাহিদা ১৯ মেগাওয়াট। তবে এখানে ঘাটতি রয়েছে তিন মেগাওয়াট বিষয়টি জানিয়েছেন শহরের ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক।

তিনি আরও জানান, চাহিদার তুলনায় তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। ফলে শহরে লোড শেডিং কম দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য এলাকায় এক ঘন্টার স্থলে ৪০ মিনিট লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: