প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোঃ হাবিবুর রহমান

নড়াইল প্রতিনিধি

মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণ করে ১৯৭১টি গাছ রোপন করলেন চেয়ারম্যান

   
প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, ২৯ জুলাই ২০২২

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বি,এম বরকতুল্লাহ’র উদ্যোগে নিজস্ব ও শুভাকাঙ্খীদের অর্থায়নে মহান মুক্তিযুদ্ধকে স্মরন করে ১৯৭১টি ফুল, ফল ও ওষধি গাছ লাগানো হয়েছে এবং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৭১টি পরিবারের মাঝে দুটি করে ফুল ও ফলের গাছ বিতরন করা হবে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে বড়দিয়া-কালিয়া সড়কের দুপাশে খাশিয়াল ইউনিয়নের সীমানা অবধি এ গাছ রোপন করা হয়। বড়দিয়া শাখার ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপক প্রবীর কুমার রায়ের সঞ্চালনায় স্থাণীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্কুল কলেজের শিক্ষকদের উপস্থিতে এ গাছ রোপনের শুভ উদ্ভোধন করা হয়।

বড়দিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোল্যা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গ্রীন হাউজ এফেক্টের প্রভাবে সারা বিশ্ব এখন বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। ঠিক সেই মুহুর্তে খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগতভাবে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।

ডা. জগদীশ চন্দ্র সরকার বলেন, গাছের অক্সিজেন নিয়ে আমরা বেঁচে থাকি এবং আমরা যে কার্বন ডাই অক্সাইড বের করে দেই গাছ সেটা শোষন করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই গাছের রক্ষনাবেক্ষন ও পরিচর্যা করে বাঁচিয়ে রাখার উদ্যোগও নিতে হবে।

জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক নিরঞ্জন দাশ ঝন্টু যুগান্তকারী পদক্ষেপের ভুয়সী প্রশংসা করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উদ্ধৃতি টেনে বলেন, “একটি গাছ কাঁটলে সেখানে আরো দুটি গাছ লাগাবো” কারণ আগামী প্রজন্মের সুখ স্বাচ্ছন্দের জন্য গাছের কোন বিকল্প নেই।

খাশিয়াল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম বরকতুল্লাহ বলেন, আমাদের লক্ষ ধনি গরীব নির্বিশেষে প্রত্যেকটি বাড়ীতে একটি ফল ও ফুলের গাছ পৌছে দেয়া। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকে স্মরন করে আমরা এ বছর প্রত্যের ওয়ার্ডের ৭১টি পরিবারকে একটি ফল ও ফুলের গাছ দিচ্ছি এবং বড়দিয়া কালিয়া রোডে ১৯৭১টি ব্যতিক্রমধর্মী বৃক্ষ আমরা রোপন করবো। কারণ বনজ বৃক্ষের অভাব নেই তাই ফুল, ফল ও ওষধি গাছ আমরা রোপনের উদ্যোগ নিয়েছি।

বৃক্ষের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে এ সময় পাটনা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোল্যা শাহাদৎ হোসেন, খাশিয়াল আদর্শ বিদ্যাপিঠের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান, বড়দিয়া কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শিমুল মোল্যাসহ আরো অনেকে বলেন, আমাদের দেখা মতে এই প্রথম কোন চেয়ারম্যান এ ধরনের ব্যতিক্রমধমর্মী উদ্যোগ নিল। এ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের কর্মসূচী হাতে নিলে সরকারী ব্যয় তরান্বিত হবে বলে তারা মন্তব্য করেন।

শাকিল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: