প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পন্ড সম্মেলন, ১১ দিনেও ঘোষনা হয়নি কমিটির

   
প্রকাশিত: ৪:৪৯ অপরাহ্ণ, ১০ নভেম্বর ২০২২

ছবি: প্রতিনিধি

মনির হোসেন, বরগুনা (আমতলী) থেকে: গত ৩০অক্টোবর বরগুনার আমতলীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেদিন দু-পক্ষের সংঘর্ষে পণ্ড হয়ে যায় সম্মেলন। তাইতো এখনো ঘোষনা আসেনি কমিটির। কবে নাগাদ এই কমিটির ঘোষনা আসতে পারে সে বিষয় স্পষ্ট ধারনা দিতে পারছে না কেউ। কথা বলতে নারাজ কেন্দ্রীয় নেতারাও।

জানা গেছে, গত ৩০ অক্টোবর আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের দিনব্যাপী সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তা পণ্ড হয়ে যায়। সেদিন কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে সাংবাদিকসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়।

এরপর থেকেই শহরজুড়ে বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা। সম্মেলনের দিন কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করা কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তাদের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, সম্মেলনকে বিতর্কিত করতেই পরিকল্পিত ভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেন যে, সম্মেলনের দিন আমতলীর পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ করলেও তারা তা ভ্রুক্ষেপ মাত্র করেনি।

এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, যারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দল করেছে, সেই সব অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড ব্যতিত যে কাউকে নেতা মানতে আমাদের সমস্যা নেই।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান বলেন, আমি দীর্ঘ ৯ বছর দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছি। এই হামলার সাথে যুক্ত ছিলেন আমতলী উপজেলা পরিষদের বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান ও সাবেক মেয়র নাজমুল আহসান নান্নু।

তিনি আরো বলেন, সম্মেলনের দিন হামলাকারীরা অধিকাংশই পটুয়াখালী জেলার ছাত্রদলের নেতাকর্মী। আমি দক্ষতার সাথে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই বিএনপির ক্যাডার দিয়ে এই হামলা করা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া বলেন, জিএম ভাইর মৃত্যুর পর দক্ষতার সাথে দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছি, মতি আর আমি দলের প্রতিটি কর্মীর সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখি। দলের সাথে আছি এবং জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত দলের সাথেই থাকব।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন বলেন, আমারা তালিকা পেয়েছি। জেলার নেতাদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যেহেতু আগামী ১৬ তারিখ জেলার সম্মেলন, তার আগেই কমিটি দেয়া হবে। আর যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপিকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

তুহিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: