প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

তরুণ-বৃদ্ধের হাতে গেলো উপজেলা আ.লীগের মূল নেতৃত্ব

   
প্রকাশিত: ৫:১৮ অপরাহ্ণ, ১৭ নভেম্বর ২০২২

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, চট্টগ্রাম থেকে: সকল জল্পনা কল্পনা গ্রুপিং-লবিং পিছনে ফেলে সম্মেলনের মাধ্যমে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘ অর্ধযুগের বেশি সময় পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বয়সের ভাড়ে নুইয়ে পড়া বর্তমান সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী আর সাধারণ সম্পাদক পদেও এসেছে বড় চমক। সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে সাধারণ সম্পাদকে নির্বাচিত হয়েছেন কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের তরুণ চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ। বুধবার সম্মেলন শেষে কাউন্সিলে সরকারি দল আওয়ামি লীগের নতুন কান্ডারী হলেন এ দুজন।

সকাল ১১টায় বড় মহেশখালী বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। এছাড়াও জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণকে ভালোবাসা। জনগণকে ভালোবাসলে তার প্রতিদান পাওয়া যায়। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি। এসময় অন্য প্রসঙ্গে স্বপন বলেন, তারেক রহমান মায়ের ক্ষমতা ব্যবহার করে আপনজনদের উপরও অত্যাচার করেছিল। শেখ হাসিনাকে বোমা মেরে খুন করতে চেয়েছিল। গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটিয়েছিল। এমন একজন উন্মাদের নেতৃত্বে চলছে বিএনপি। মামা ও মামার বন্ধুরা মিলে তারেক রহমানকে আটক করে থেরাপী দিয়েছিল বলে দাবী করেছেন।

সম্মেলনে অন্য বক্তারা বলেছেন, মহেশখালী দেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এখানেই বাস্তবায়ন হচ্ছে দেশে সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এসব প্রকল্প সঠিক বাস্তবায়নে সরকারি দল আওয়ামিকে সহযোগী হতে। তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দরকার। সম্মেলনের পর কাউন্সিলে আনোয়ার পাশা চৌধুরীকে সভাপতি ও তারেক বিন ওসমান শরীফকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এই কমিটি ঘোষণার পর নেতাকর্মীর মাঝে উল্লাসের জোয়ার উঠে। সম্মেলনে সহ-সভাপতি পদে ফরিদুল আলম চৌধুরী, সহ-সভাপতি-আলহাজ্ব সাজেদুল করিম, সহ-সভাপতি-মাষ্টার রুহুল আমীন, সহ-সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারন, যুগ্ম সম্পাদক-নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক- এহসানুল করিমকে নির্বাচিত হয়।

এদিকে সম্মেলনের শেষভাগে এসে বাঁধে হট্টগোল। অস্পষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে সম্মেলনে স্থলে হট্টগোল বাঁধে। যদিও পরে নেতৃবৃন্দের নির্দেশে ঝামেলা চুপে যায়। অন্যদিকে কয়েক দফা তারিখ পরিবর্তনের পর গেলো ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন হয়। সে সময় দু’শক্তিমান প্রার্থী সম্মেলন বর্জন করায় কোন ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই সভাপতি ও সাধারণ মনোনিত হয়েছিলেন ও আনোয়ার পাশা চৌধুরী ও মহেশখালী-কুতুবদিয় আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আশেক উল্লাহ রফিক।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: