প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বছরের শুরুতেই টানেল যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

   
প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, ২৬ নভেম্বর ২০২২

পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে শেষ হয়েছে আনোয়ারা প্রান্তে। কর্ণফুলী নদীর ১৫০ ফুট তলদেশে তৈরি বঙ্গবন্ধু টানেলটি সত্যিই এক বিস্ময়। মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত যেতে সময় লাগবে মাত্র চার মিনিট। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে সময় ও পথের অনেক সাশ্রয় হবে।

এটি এবার স্বপ্ন দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর এবার টানেল যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের একটি টিউবের অবকাঠামো (পূর্ত) নির্মাণ শতভাগ শেষ হয়েছে। শনিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল এর ১ম টানেল টিউবের পূর্তকাজ সমাপ্তি ঘোষনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে উদযাপন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রমুখ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভৌগলিক দিক থেকে চট্টগ্রাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একে আমি বাণিজ্যিক রাজধানী বলে ডাকতাম। তাই চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমি সব সময় প্রাধান্য দিই। আজ কর্ণফুলী টানেলের ১ম টিউব চালু হয়েছে। এটা আমাদের জন্য আরেকটা বড় অর্জন। এই টানেলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম হবে ‘ওয়ান সিটি টুইন টাউন।’ প্রধানমন্ত্রী আরও প্রধান বলেন, আমরা যখন বেড়াতে যেতাম বেশিরভাগই কক্সবাজার গিয়েছি। দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উন্নত যোগাযোগ হয়নি। এখন কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর হচ্ছে। চট্টগ্রামের সাথে উপজেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে আরো উন্নত হয় সেটা নিয়ে কাজ করছি। এই টানেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামের গুরুত্ব আরো বেড়ে যাবে।

বিশাল এই কর্মযজ্ঞ শেষ হওয়া উদযাপনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। যার ৯৯ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

শাকিল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: