• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • শেষ আপডেট ৬ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:২০ সকাল
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন

মালয়েশিয়ায় শোষণ ও প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি শ্রমিকরা 

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে “ব্যাপক ও পদ্ধতিগত” শোষণ, প্রতারণা ও ঋণ–দাসত্বের মতো পরিস্থিতির অভিযোগ তুলেছেন। মানবাধিকার সংস্থার উপপ্রধান (এশিয়া) মীনাক্ষী গাঙ্গুলি এ প্রসঙ্গে বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের ওপর নিপীড়ন দীর্ঘদিন ধরেই চলমান এবং তা এখন আরও গভীর সংকটে পৌঁছেছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি বৈধভাবে কর্মরত, যা দেশটির বৈধ বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যা। তবে উচ্চ নিয়োগ–ফি দিয়ে কাজের আশায় যাওয়া বহু শ্রমিক প্রকৃত চাকরি না পেয়ে বাংলাদেশেই আটকে আছেন। অনেকেই সরকারি নির্ধারিত ফি–এর পাঁচ গুণ পর্যন্ত অর্থ পরিশোধ করেও প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের পাসপোর্ট আটকে রাখা, মিথ্যা চাকরির প্রতিশ্রুতি, চুক্তিপত্র ও কাজের শর্তের অসঙ্গতি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সহায়তার অভাব ব্যাপকভাবে দেখা যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকলে শ্রমিকেরা আটক, নির্যাতন ও বহিষ্কারের ঝুঁকিতে থাকেন। কঠোর অভিবাসন আইন থাকার কারণে দেশটিতে নিয়মিত আটক অভিযান চালানো হয় এবং বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার অভিবাসী, শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীকে বিভিন্ন কেন্দ্রে আটক রাখা হয়েছে।

শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের কারণে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কারখানার পণ্যের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অন্যদিকে ২০২৭ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জোরপূর্বক শ্রমবিষয়ক বিধি কার্যকর হলে জবরদস্তিমূলক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের ঋণদাসত্ব ও প্রতারণার ঘটনাও এসব বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারে।

জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়াসহ শ্রম–রপ্তানিকারক ও শ্রম–গ্রহণকারী দেশগুলো, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো বাজারভিত্তিক দেশগুলোর দায়িত্ব রয়েছে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত রেখে অভিবাসন প্রক্রিয়া পরিচালনার। দুই দেশকে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মালয়েশিয়া থেকে পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ‘ফেয়ার লেবার অ্যাসোসিয়েশন’-এর দায়িত্বশীল নিয়োগ–নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে সরবরাহ শৃঙ্খলে দায়িত্বশীল নিয়োগের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা এবং শ্রমিকদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার উচিত অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করা। বিশ্ব যেসব দেশ অভিবাসী শ্রমিকদের শ্রম থেকে লাভবান হয়, তাদেরও উচিত আরও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা ও শ্রম–নির্যাতনমূলক চর্চা বন্ধ করা।

সূত্র: hrw.org.

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]