১৪ ও ২৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীরা ফ্যাসিবাদের হলেও ১৮ সালে শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করে গণতন্ত্র রক্ষা করতে বিএনপি-জামাত ভোটে যায় বলে মন্ত্রব্য করেছেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও ডাকুস’র সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল ও এনডিএফ জোটের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে স্মারক জমা দেওয়া শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্মারকলিপি জমা শেষে মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ১৪ ও ২৪ সালের নির্বাচনে যারা অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করেছে তারা ফ্যাসিবাদের দোসর। তবে ১৮ সালে শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করে গণতন্ত্র রক্ষা করতে বিএনপি-জামাত ভোটে যায় কিন্তু রাতের ভোটের মাধ্যমে প্রহসনের নির্বাচন করে।
১৮ সালের ভোট ডাকাতির নির্বাচনকে ১৪ ও ২৪ সালের নির্বাচনের সাথে না মেলাতে মন্তব্য করেছেন ডাকুস’র সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক।
সম্প্রতি তারা হাইকোর্টে রীট দায়ের করেছেন যেখানে একটি রুল দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, হাইকোর্ট খুব শিঘ্রিই তাদের মনোনয়ন বাতিল করবেন বলে আশা করেন তিনি।
জুলাই ঐক্যের নেতারা দাবি করেন, জাতীয় পার্টি ও সংশ্লিষ্ট জোটের প্রার্থীদের মনোনয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যমান আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও এসব প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ রাখা হয়েছে।
জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসমাইল সিরাজী বলেন, ‘ বিএনপি কেন আসছিলো আপনারা জানেন, গণতন্ত্র রক্ষা করতে তারা শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু নির্বাচন হয় রাতের আধারে।
বেলা সাড়ে ১২ টা মিনিটে আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচে জড় হতে থাকেন তারা। এর পর নির্বাচন কমিশন অভিমুখে রওনা হয়েছেন।
এদিকে কর্মসূচি কে কেন্দ্র করে ইসিতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কমিশনের সামনে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। বাড়তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এসময় জাতীয় পার্টির নির্বাচন মানি না, মানব না বলে স্লোগান দিচ্ছেন। ইসলামি ফাউন্ডেশন সামনে মিছিলটি আসলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটকিয়ে দেয়। এরপর ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল কমিশন ভবনে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ কাছে এসে স্মারক জমা দেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর