• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪৪ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৫০ দুপুর

মানসিক চাপ কমাতে প্রাকৃতিক সমাধান ‘মধু’

ছবি: সংগৃহীত

শুধু শরীরের জন্যই নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে মধু। মন খারাপ, চাপ বা উদ্বেগের সময় অনেকেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে তেমন নজর দেন না। অথচ এই সময় সঠিক খাবার মানসিক অবস্থার ওপর বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

সাধারণত মেজাজ ভালো রাখতে তাজা মাছ, ফল ও সবজির কথা বলা হয়। তবে গবেষণা বলছে, প্রাকৃতিক একটি মিষ্টি উপাদান—মধু—মন ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। মধুর ভেতরে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ও পুষ্টিগুণ মস্তিষ্ক ও আবেগের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মধু প্রাকৃতিক শর্করার উৎস। এতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি জোগায়। রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে গেলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়, যা খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও মানসিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। পরিমিতভাবে মধু খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে মানসিক চাপ সামলানো সহজ হয়।

অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে মনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মধুর ভেতরে থাকা প্রিবায়োটিক উপাদান উপকারী অন্ত্রজীবাণুকে পুষ্টি জোগায়। এসব জীবাণু শরীরে সেরোটোনিন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা ভালো লাগার অনুভূতির সঙ্গে জড়িত। অন্ত্র ও মস্তিষ্ক সারাক্ষণ একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাই অন্ত্রের ভারসাম্য ঠিক থাকলে মানসিক অবস্থাও তুলনামূলকভাবে স্থির থাকে। মধুর হালকা জীবাণুনাশক গুণ ক্ষতিকর জীবাণু নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।

মানসিক ক্লান্তি বা দীর্ঘদিনের অবসাদী ভাবের পেছনে শরীরের ভেতরের অক্সিডেটিভ চাপও দায়ী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক পুষ্টিবিদ জানান, মধুতে থাকা পলিফেনল ও ফ্লাভানয়েড শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অক্সিডেটিভ চাপ স্নায়ু সংকেতের আদান–প্রদান ব্যাহত করে, ফলে মানসিক ঝাপসা ভাব ও অতিরিক্ত ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। মধু এই ক্ষতিকর প্রক্রিয়া কমাতে সহায়তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী হালকা প্রদাহ বিষণ্নতা ও উদ্বেগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মধুর বিভিন্ন উপাদান প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। প্রদাহ কমলে মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়া বজায় থাকে এবং শরীরের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়াও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

মধু উপকারী হলেও অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। পুষ্টিবিদদের মতে, মধু মূলত শর্করার উৎস, তাই দিনে এক থেকে দুই চা-চামচের বেশি না খাওয়াই ভালো। চিনি বা পরিশোধিত মিষ্টির বদলে মধু ব্যবহার করাই উত্তম।

পুষ্টিবিদরা বলেন, মধু যদি প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে রক্তে শর্করা আরও স্থিতিশীল থাকে। দই, ওটস বা ফলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও পাওয়া যায়।

তবে সব মধু একরকম নয়। কম প্রক্রিয়াজাত বা কাঁচা মধুতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এনজাইম বেশি থাকে। কেনার সময় উপাদানের তালিকায় যেন শুধু ‘মধু’ লেখা থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

সময় গড়ালে মধু জমে গেলেও তা নষ্ট হয় না। হালকা গরম পানিতে বোতল রেখে আবার তরল করা যায়।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]