সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
এর আগে শাকসু নির্বাচনের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার ঘোষণা বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা।শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করলে শিক্ষকদের একটি অংশের অভিযোগ বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দিকে চলে আসে। এজন্য তারা নির্বাচন পরিচালনায় অংশ নেয়ার থেকে বিরত থাকবেন। পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষকদেরও একইভাবে দায়িত্ব পালন না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করলে শিক্ষকদের একটি অংশের অভিযোগ বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দিকে চলে আসে। এজন্য তারা নির্বাচন পরিচালনায় অংশ নেয়ার থেকে বিরত থাকবেন। পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষকদেরও একইভাবে দায়িত্ব পালন না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শাবিপ্রবির সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দীন।
অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দীন বলেন, ৫ আগস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হল দখল করা হয়েছে। তখন নীতিমালা তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু পরে সেই নীতিমালা বাতিল করা হয়। ইউটিএলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে নির্বাচন বন্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং আমাদের ট্যাগিং দেওয়া হয়েছে। আমরা যদি নির্বাচন পরিচালনা করি, তাহলে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের আবারো দোষ দেওয়া হবে।
নির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত হলে দেশব্যাপী কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে ছাত্রশিবির। সোমবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রসংগঠনটির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর