• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১২ সেকেন্ড পূর্বে
মো. আমজাদ হোসেন রতন
নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:৩৬ দুপুর

নাগরপুরে মাঠ যেন হলুদ চাদরে ঢাকা ' ব্যস্ত মৌয়াল'

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এ সময়ে যেদিকে চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। এ যেন কুয়াশায় ঢাকা শীতের চাদরে ঢাকা সরিষার হলুদ মাঠ। মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ, সরিষার ফুলে আকৃষ্ট মৌমাছিরাও ব্যস্ত মধু আহরণে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা সরিষার মাঠ।

নাগরপুরে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি আবাদ হয়েছে সরিষার। ফলে বেশ কিছু গ্রামে সবুজ, বেগুনী, সাদা, সোনালী নানা মওসুমী ফলনের পাশাপশি হলুদের হাসি যেন ফসলের মাঠে সকল সুন্দরকে হার মানিয়ে মাঠজুড়ে হলুদ আভায় আলোর হাসি ফুঠেছে। হলুদের সমারোহে সজ্জিত সরিষার প্রতিটি ফুলে দুলছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

উপজেলার নাগরপুর সদর, গয়হাটা, মোকনা, ভাদ্রা ও মামুদনগরসহ আশপাশের ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অন্য ফসলের তুলনায় অনেক জমিতেই এবার বেড়েছে সরিষার চাষ। কার্তিকে চাষ করার পর অগ্রহায়ণ মাস শেষ হতে না হতেই সরিষা ফুল ফোটার ধুম পড়েছে। মাঠের দিকে তাকালে মনে হয়, সবুজ-হলুদের সমন্বয়ে বাতাসে দোল খাওয়ার মতো কৃষকদের মনও দোলছে। হলুদ চাদরে সোনালী আভায় গোটা প্রান্তর হয়ে উঠেছে আলোকময়। যেন এক হলুদের সমারোহ।

উপজেলা কৃষি অফিস হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, দেশে এখন ১৮ জাতের সরিষার চাষ হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পাঁচ জাতের সরিষা চাষ হচ্ছে বেশী। তবে এর মধ্যে বারি-১৪, ১৫ ও ১৭ জাতের সরিষা বেশি চাষ হয়েছে এ উপজেলায়। চাষ হওয়া সরিষা লোকাল জাত ৯৫০ শত’ কেজি ও উচ্চ ফলনশীল সরিষা ১,৩০০ শত’ কেজি, প্রতি হেক্টরে উৎপাদন হয়ে থাকে।

উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের ঘিওরকোল গ্রামের রফিকুল ইসলাম রিপন, দুলাল সরকার, শওকত তালুকদার, শাশীম তালুকদারসহ সরিষা চাষি বলেন, এ বছর প্রায় ১-৪ একর জমিতে বারি-১৪ জাতের সরিষার আবাদ করেছি। এক একর জমিতে সরিষা চাষে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সরিষার গাছ ভালো হয়েছে।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন ভালো ফলনের জন্য করণীয় বিষয়ে বলেন, সরিষার চাষে বোরন ব্যবহার করলে দানা পুষ্ট হবে ও ফলন বৃদ্ধি পাবে। জাত ভেদে সরিষা আবাদের মাত্র ৮০-১০০ দিনেই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি কেজি সরিষা থেকে ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম তেল পাওয়া যেতে পারে। সরিষা চাষের জমিতে বোরো ধানের আবাদ ভালো হয়। স্থানীয় জাতের পরিবর্তে বারি ও বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা আবাদ করে কৃষক বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো অঙ্কের মুনাফা অর্জন করতে পারবে। তবে কেবল সরিষাই নয় সকল প্রকার সবজি আবাদে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতায় মাঠে কৃষকদের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস.এম রাশেদুল হাসান বলেন, এ উপজেলার মাটি সরিষা আবাদের জন্য অনেক উপযোগী। উপজেলায় গত বছরের তুলনায় সরিষা আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরিষার প্রণোদনা হিসেবে ৯ হাজার কৃষকের মাঝে এক কেজি করে উচ্চ ফলনশীল সরিষা বীজ এবং ১০ কেজি ডিএপি স্যার এবং ১০ কেজি এমওপি স্যার বিতরণ করা হয়েছে। এবছর উপজেলায় ৪ হাজার ২০০ টি মৌ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। সহযোগিতায় তাদের পাশে আছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ। তিনি আরো জানান, এবার সাতক্ষীরা জেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মধু সংগ্রহ করার জন্য এক হাজার ২০০ মৌবক্স নিয়ে মাঠে প্রস্তুত আছে মৌ চাষীরা। ইতিমধ্যে গয়হাটা, নাগরপুর সদর, ধুবরিয়া, ভাদ্রা ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন স্থানে মৌবক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করতে দেখা যাচ্ছে। মধু উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কেজি, যার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]