ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি পাচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এই ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
এর অংশ হিসেবে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সারা দেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি পালন করা হবে। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের ভোটদানে সুযোগ দিতে ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সাপ্তাহিক শুক্র ও শনিবারের ছুটি, ফলে সব মিলিয়ে দেশবাসী পাচ্ছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ.বি.এম. আবু বাকার ছিদ্দিক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলো। এই ছুটি প্রযোজ্য হবে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য।
এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই ছুটির আওতায় থাকবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষ নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন বলে মনে করছে সরকার।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে গণভোটও আয়োজন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে এবং নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর