নবম পে- স্কেল কার্যকরের দাবিতে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে ।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ওই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসন চত্বরে ‘জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা প্রশাসন চত্বর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ সরকারি কর্মচারীরা শখ করে রাজপথে নামেননি; জীবনধারণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে আন্দোলনে নামতে হয়েছে। ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার সময় চাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের দামের সঙ্গে বর্তমান বাজারদরের কোনো মিল নেই। গত কয়েক বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেলেও বেতন কাঠামো সেই অনুযায়ী সমন্বয় হয়নি।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় বার্ষিক ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিয়ে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তাই দ্রুত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান তাঁরা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কৃষ্ণ কুমার সরকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সমাবেশ থেকে জানানো হয়, দাবি আদায়ে ৩ ফেব্রুয়ারিও সকাল সাড়ে ৯টায় জয়পুরহাট জেলার সব সরকারি কর্মচারী পুনরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর