নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী ও সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তা বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্য পরিষদের ডাকে দেশের বিভিন্ন দপ্তরের সামনে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে তিন দিন অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী সকল কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।
নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেলের দাবিতে আন্দোলনের পর সরকার পে কমিশন গঠন করলেও কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের হাতে থাকা সত্ত্বেও এখনো গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। এই গড়িমসির প্রতিবাদে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে তাদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যারা এখনো এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেননি, তাদেরও আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি সকল কর্মকর্তা মহোদয়দের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত না আসায় কর্মসূচি আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি ৬ তারিখের পূর্বে সরকার যদি বৈষম্যমুক্ত পে স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন করেন তাহলে আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ৬ তারিখে আনন্দ শোভাযাত্রা করবো। আর যদি সরকার গেজেট জারি না করে তাহলে আমাদের ঘোষিত ভূখা মিছিল শোক মিছিলে পরিণত হতে পারে!
সেই মিছিল শেষে আরো কঠোর কর্মসূচি আসবে যা সরকারের ধারনার বাইরে। তাই সরকারকে আবারো সকল কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাই যাতে কর্মসূচির পূর্বেই পে-স্কেলের গেজেট প্রণয়ন করে কর্মচারীদের মুখে হাসি ফুটিয়ে দেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর