জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে বিরাজ করছে ভোটের আমেজ। এ প্রেক্ষাপটে ছুটির কারণে রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ সড়কই এখন ফাঁকা। যানবাহনের চাপ কম থাকায় কোথাও দেখা মেলেনি চিরচেনা যানজটের। ব্যক্তিগত যানবাহনে চলাচলকারীরা স্বস্তি প্রকাশ করলেও গণপরিবহন সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
নির্বাচনী ছুটি ও নিজ নিজ এলাকায় ভোট দিতে রাজধানী ছাড়ায় ঢাকার রাস্তায় দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র। সাধারণত ঈদের সময় যে ফাঁকা ঢাকার দৃশ্য চোখে পড়ে, এবার তার কারণ জাতীয় নির্বাচন। যানবাহনের চাপ কম থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।
পথচারীরা জানান, যানজট না থাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করা যাচ্ছে। ফাঁকা রাস্তায় যাতায়াত করতে পেরে অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অফিসগামীরাও বলছেন, রাস্তায় চাপ কম থাকায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে সময় কম লাগছে। তবে গণপরিবহন সংকটের কারণে অনেককে দীর্ঘ পথ হেঁটে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
রাজধানীর সড়কে গণপরিবহন প্রায় নেই বললেই চলে। এতে বিপাকে পড়েছেন অনেক যাত্রী। বিশেষ করে রিকশা ও অটোরিকশায় ভাড়া দ্বিগুণ-তিনগুণ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দূরপাল্লার বাসেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
এদিকে নির্বাচন ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ এলাকায় ভোট দিতে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে দিনভর ঘরমুখো মানুষের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক যাত্রী দুর্বিষহ ভ্রমণ অভিজ্ঞতার কথা জানান।
তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাস চালকেরা। তাদের দাবি, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত কিছু নেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। পাশাপাশি বুধবার রাত ১২টা থেকে অন্যান্য যানবাহনের ওপরও বিধি-নিষেধ কার্যকর হবে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর