বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই তাঁদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম অংশ না পাওয়ায় এই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তাঁরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী শিপন কুমার রবিদাস ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী খান কুদরত ই সাকলায়েন। এই তিন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৬৭ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮০টি বৈধ ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৭০.০২ শতাংশ। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষা করতে হলে মোট কাস্টিং হওয়া বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে বগুড়া-৫ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে হলে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৪৯ হাজার ৮২২.৫ ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল।
কিন্তু বড় দুই দল বাদে বাকি তিন প্রার্থীর কেউই এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু হাতপাখা মার্কায় ৫ হাজার ৫৪০টি ভোট পেয়েছেন, যা বৈধ ভোটের ০.০১৩ শতাংশ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী শিপন কুমার রবিদাস কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৪টি ভোট, যা বৈধ ভোটের ০.০০৪ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী খান কুদরত ই সাকলায়েন ছাতা মার্কায় পেয়েছেন ১ হাজার ১২৮টি ভোট, যা বৈধ ভোটের ০.০০২ শতাংশ। এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর