নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টামাংশ অপেক্ষা কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানতের টাকা সরকারের অনুকুলে বাজেয়াপ্ত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ-রানীশংকৈল) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ১০জন প্রার্থী এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ৭ জন এমপি প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
এ আসনে এবার জামানত হারিয়েছেন ৫ বারের এমপি, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দীন আহম্মেদ। নির্বাচনী এলাকার প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার।
এ আসনে এবার মোট ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৮টি। সে হিসেবে জামানত ফেরত পেতে তাকে পেতে হতো ৩২ হাজার ৮৩৩ ভোট। কিন্তু হাফিজউদ্দীন আহমেদ পেয়েছেন মাত্র ২৭ হাজার ১৩৩ ভোট।
হাফিজউদ্দীন আহমেদ ১৯৮৮, ২০০১, ২০০৮, ২০২৩ (উপ-নির্বাচন) ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ (পোস্টাল ভোটসহ) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক এমপি বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।
তার জামানত রক্ষা হলেও খুব কমসংখ্যক ভোট পাওয়ায় এ আসনের আরো ৭ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
তারা হলেন, গণ অধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমির শাহাজাহান আলম, বাংলাদেশ মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এস এম খলিলুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর