হলিউড তারকা Angelina Jolie শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন। তবে তিনি অপেক্ষা করছেন তার যমজ সন্তান ভিভিয়েন ও নক্সের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার জন্য।
জোলির ছয় সন্তানের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ভিভিয়েন ও নক্স আগামী ১২ জুলাই ১৮ বছরে পা দেবে। একটি সূত্র জানিয়েছে, সন্তানদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তিনি লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে চান।
সূত্রটি জানায়, “জোলি কখনোই পুরো সময় লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকতে চাননি। তবে সাবেক স্বামী Brad Pitt-এর সঙ্গে সন্তানদের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত চুক্তির কারণে এতদিন সেখানে থাকতে বাধ্য ছিলেন।”
জানা গেছে, জোলি ইতোমধ্যে বিদেশের কয়েকটি সম্ভাব্য স্থান বিবেচনা করছেন এবং লস অ্যাঞ্জেলেস ছাড়তে পারলে তিনি স্বস্তি অনুভব করবেন।
২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে জোলি বলেন, “বড় পরিবার থাকলে আপনি চান তাদের গোপনীয়তা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। সন্তানদের বড় করার জন্য আমার একটি বাড়ি আছে, কিন্তু কখনো কখনো এখানে সেই মানবিক পরিবেশ পাওয়া যায় না, যা আমি বিশ্বের অন্য জায়গায় পেয়েছি।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে তিনি কম্বোডিয়ায় বেশি সময় কাটানোর পরিকল্পনা করছেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছেও যাবেন।
কম্বোডিয়ার সঙ্গে জোলির দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। ২০০২ সালে তিনি তার প্রথম সন্তান ম্যাডক্সকে সেখান থেকেই দত্তক নেন। পরে তিনি জাহারা ও প্যাক্সকেও দত্তক নেন। এছাড়া শিলোহ, ভিভিয়েন ও নক্স তার ও ব্র্যাড পিটের জৈবিক সন্তান।
জোলি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেছেন। স্পেনের সান সেবাস্তিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি বলেন, “আমি আমার দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু এই সময়ে আমি আমার দেশকে চিনতে পারছি না।”
মানবাধিকার কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তার জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন জোলি। বিশ্লেষকদের মতে, সন্তানদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পরই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর