ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ঈদের আগে করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান মাসউদ নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঈদের আগেই নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছি। এজন্য সকল কাজ গুছিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি ১টি এবং খেলাফত মজলিস ১টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসন পায়নি।
সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদে প্রাপ্ত সাধারণ আসনের ভিত্তিতে প্রতিটি দলের নারী আসনের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত প্রাপ্ত আসন সংখ্যা × ৫০ ÷ ৩০০—এই সূত্রে নারী আসনের হিসাব করা হয়। এ হিসাব অনুযায়ী বিএনপি ৩৪.৬৬ আসন বা ৩৫টি আসন পাবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১.৩৩ বা ১১টি আসন পাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১.১৬ শতাংশ বা ১টি আসন পাবে (যদি জোট করে)। জাতীয় নাগরিক পার্টি পাবে ১টি আসন। অন্য ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট না করলে কোনো আসন পাবে না। তবে জোট করলে পাবে ১টি আসন। এক্ষেত্রে বিএনপির আরো একটি আসন বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬টি। আবার জোটগত ভাবে যদি নির্বাচন করে তাহলে বিএনপি ৩৫টি আসনই পাবে। তবে জামায়াতের দুটি আসন বৃদ্ধি পেয়ে ১৩টি হবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯ আসনে ভোট হয় শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ার কারণে। ওই আসনে পরবর্তীতে নতুন তফসিলের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। এছাড়া তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশগ্রহণ করে। জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসন পায়নি।
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর